kalerkantho


মাউশিতে গণবদলি

সাবেক ডিজির শেষ সাত কর্মদিবসের সব আদেশ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বদলিতে অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ ওঠায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর এস এম ওয়াহিদুজ্জামানের শেষ সাত কর্মদিবসের সব বদলির আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মাউশি অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক প্রফেসর মাহবুবুর রহমান এক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত করা তিন শতাধিক বদলি বাতিল হতে পারে।

গতকাল রাত ৮টা পর্যন্ত মাধ্যমিক ও কলেজ শাখার বদলি আদেশ স্থগিতের চিঠি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়। রাতের মধ্যেই প্রশাসন শাখার বদলির আদেশ স্থগিতের চিঠিও ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, মাউশি অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকের শেষ কর্মদিবস ছিল গত বৃহস্পতিবার। এ দিনই ৭৭ জনকে বদলির আদেশ জারি করা হয়। যদিও এই আদেশের কপি গত রবিবার ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়। এর আগে বাকি ছয় কর্মদিবসে আরো দুই শতাধিক বদলির আদেশ জারি করা হয়। ‘শেষ কার্যদিবসে ৭৭ জনকে বদলির আদেশ ডিজি’র শিরোনামে গতকাল কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক গতকাল সন্ধ্যায় এক বৈঠকে শেষ সাত কর্মদিবসের বদলির সব আদেশ স্থগিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশি অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গত রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবেই অনিয়মের কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়। ফলে নতুন ডিজি গত সাত কর্মদিবসের বদলির আদেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, মাউশি অধিদপ্তরের সদ্য সাবেক মহাপরিচালক বদলিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। তবে বদলির তালিকা তৈরি করে অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখা। প্রশাসন শাখা বদলি করে উপজেলা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সব পর্যায়ের কর্মচারীদের। এই বদলিতেই মূলত ব্যাপক লেনদেন হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মূলত এই শাখার একজন উপপরিচালক বদলি বাণিজ্য সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেন। এই দলে আরো কয়েকজন কর্মচারী রয়েছেন।



মন্তব্য