kalerkantho


নির্যাতনকারীদের ভোট দেবে না সংখ্যালঘুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



যাদের বিরুদ্ধে অতীতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ আছে, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মনোনয়ন দিলে সব নির্বাচনী এলাকায় ভোটদানে বিরত থাকবে সংখ্যালঘুরা। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত। আগের তুলনায় দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা কমেছে বলে পরিষদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ মিলনায়তনে গতকাল সকালে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। এতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক, হিউ বাড গোমেজ, সনন্দু প্রিয়া, কাজল দেবনাথ, প্রিয়া সাহা, দীপালি চক্রবর্তী, পদ্মাবতী দেবী, নিহার রঞ্জন হালদার প্রমুখ।

পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন, অতীতে দেখেছি নির্বাচন সবার জন্য উৎসব হলেও সংখ্যালঘুদের জীবনে অভিশাপ হয়ে দেখা দেয়। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা কমেছে। সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরই এ ইতিবাচক দিক লক্ষ করা গেল। সংখালঘু নির্যাতন প্রতিরোধে গণমাধ্যম, সুধীসমাজ ও পুলিশের ভূমিকা ইতিবাচক।

এক প্রশ্নের জবাবে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘চলতি বছর দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অতীতেও আমরা দেখেছি নির্বাচন হলেই খড়্গ নেমে আসে সংখ্যালঘুদের ওপর। আমরা হামলার শিকার হই। আগামীতে যাতে এটা না ঘটে সে জন্য আমরা নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি। যাদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ আছে, তাদের যদি রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয় তাহলে সকল নির্বাচনী এলাকায় ভোটদান থেকে সংখ্যালঘুরা বিরত থাকবে।’

দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে ২০১৬ ও ২০১৭ সালের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬ সালে নির্যাতনের ঘটনা ছিল এক হাজার ৪৭১টি, আর ২০১৭ সালে ঘটেছে এক হাজার চারটি। ৫০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে ১০২টি নির্যাতনের ঘটনার বিবরণ রয়েছে।



মন্তব্য