kalerkantho


১২ দফা দাবি

খুলনায় পোল্ট্রি মালিকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা

খুলনা অফিস   

৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



চাহিদার অতিরিক্ত উৎপাদিত ডিম ও প্রক্রিয়াকৃত মুরগি রপ্তানির ব্যবস্থা করা, আগামী বাজেটে পশু-পাখি শুমারির মাধ্যমে চাহিদার আলোকে উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহণসহ ১২ দফা দাবি আদায়ে তিন দিনের কর্মসূচি দিয়েছে খুলনার পোল্ট্রি মালিকরা। এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিক্ষোভ-সমাবেশ, প্রতিবাদ ও মতবিনিময়সভা এবং প্রধানমন্ত্রী ও মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে পোল্ট্রি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের তিনটি সংগঠনের খুলনা শাখা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ ও খুলনা পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্পমালিক সমিতি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী ও মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান, শনিবার বিক্ষোভ সমাবেশ ও সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় খুলনা পোল্ট্রি সমিতির কার্যালয়ে খামারিদের প্রতিবাদ ও মতবিনিময়সভা।

খামারি ও ব্যবসায়ীদের দাবিগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগের নামে ভিনদেশি বহুজাতিক কম্পানিকে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতে উৎপাদন থেকে বিতরণে অংশগ্রহণের অনুমতি বাতিল, মুরগির বাচ্চার ২০ শতাংশ লাভ ধরে মূল্য নির্ধারণ, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান।

সংবাদ সম্মেলনে পোল্ট্রি মালিকদের নেতা এস এম সোহরাব হোসেন বলেন, সমিতির তথ্য অনুযায়ী দেশে এক লাখ ৪৬ হাজার খামারের মধ্যে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার আছে ২১ হাজার ৭৯৬টি। প্রতিটি খামারে পাঁচজন করে শ্রমিক, কর্মচারী ও মালিক জড়িত থাকলে এক লাখ আট হাজার ৯৮০ জনের কর্মসংস্থান প্রত্যক্ষভাবে হচ্ছে। আর পরোক্ষভাবে ১০ লাখ মানুষ এর সুফল ভোগী। সোহরাব আরো বলেন, যেখানে প্রতিটি ডিম উৎপাদনে সব ধরনের খরচ যোগ হয়ে দাঁড়ায় ছয় টাকা থেকে সাড়ে ছয টাকার ওপরে, সেখানে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে চার টাকা ৪০ পয়সা থেকে পাঁচ টাকা ৪০ পয়সায়। অর্থাৎ প্রতিটি ডিমে খামারির লোকসান হচ্ছে এক টাকা ২৫ পয়সা থেকে এক টাকা ৫০ পয়সা। অনুরূপভাবে এক কেজি ব্রয়লার মাংস উৎপাদনে খরচ ১১০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা। অথচ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা। প্রতি কেজিতে ক্ষতি ১৫ থেকে ২০ টাকা। তিনি বলেন, ‘আমরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।’



মন্তব্য