kalerkantho


এবি ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ দুজনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

১২ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে আরব বাংলাদেশ ব্যাংকের (এবি) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামিম আহমেদ চৌধুরী ও প্রতিষ্ঠানটির হেড অব ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউট অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির সাবেক শীর্ষ এই দুই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের সমন্বয়ে গঠিত অনুসন্ধান টিম সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

এদিকে অর্থপাচারের অভিযোগ ওঠায় ব্যাংকটি ১২ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার চিঠি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষর করা চিঠিতে ১২ কর্মকর্তার নামের তালিকা দিয়ে তারা যাতে বিদেশে যেতে না পারেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগের সঙ্গে ওই সব কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে ওই চিঠি দিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, পিজিএফ নামের দুবাইভিত্তিক একটি কম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে ২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ হিসেবে দেওয়ার কথা বলে আমিরাতে টাকা পাঠানো হয়। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ওই কম্পানির কোনো কর্মকর্তার নাম বা পরিচয় কাগজপত্রে দেখাতে পারেনি এবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে  ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই টাকা ব্যক্তিগত হিসেবে স্থানান্তর করেছে। তিন কিস্তিতে ওই টাকা দুবাই যাওয়ার পর ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয় জালিয়াত সিন্ডিকেট। পরবর্তী সময়ে যার কোনো তথ্য এবি ব্যাংকের কাছে নেই। ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে খুররাম ও আবদুস সামাদ নামের দুই ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।


মন্তব্য