kalerkantho


সেমিনারে তথ্য

উপবৃত্তি প্রদানের হার ৭৩% কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



রাজধানীতে এক সেমিনারে বলা হয়েছে, প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত উপবৃত্তি প্রদানের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। মোট তিনটি শিক্ষা কর্মসূচিতে এই হার ৭৩ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে।

উপবৃত্তি প্রদানের কারণে গ্রামে ও চরাঞ্চলে শিক্ষার হার বেড়েছে। তবে উপবৃত্তি বন্ধ করা হলে শিশুদের ঝরে পড়ার হারও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ গ্রামের বেশির ভাগ শিশুই উপবৃত্তির সুবাদে বিদ্যালয়ে আসছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে ‘শিশু বাজেট ২০১৭-১৮ : প্রতিশ্রুতি ও উদ্বেগ’ শীর্ষক ধারণাপত্রে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বাজেট কমে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়, তবে সার্বিকভাবে বাজেট বেড়েছে। শিশুদের বাজেট বরাদ্দ হয়, তবে কেউ প্রকল্প দিচ্ছে না বলে অর্থ ছাড় হচ্ছে না। সামগ্রিক বাজেট বরাদ্দ বাস্তবায়নে মনিটরিং বাড়াতে হবে। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে এবং স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সম্প্রসারণের কাজ করছে সরকার। তিনি আরো বলেন, উপবৃত্তি সবাইকে নয়, বাছাই করে প্রদান করা উচিত।

মন্ত্রী অভিভাবকদের প্রাইভেট পড়ানোর প্রতি মনোযোগী না হয়ে খেলাধুলার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

সেমিনারে ধারণাপত্র তুলে ধরেন সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি ডিরেক্টর (গভর্নেস অ্যান্ড পাবলিক ফাইন্যান্স) আশিক ইকবাল।

ধারণাপত্রে সুপারিশে বলা হয়, বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ফলে সমাজের অনগ্রসর শিশুরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে। শিশু বাজেটের এটাই সবচেয়ে বড় সফলতা। এই বাজেটের ফলে সমাজের বিশেষ শ্রেণির শিশুরাও সমভাবে উপকৃত হচ্ছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ২০ শতাংশ এবং শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বিনিয়োগে স্থানীয় সরকারকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে।


মন্তব্য