kalerkantho


রাজধানীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ‘ডাকাত সর্দার’ নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



রাজধানীর খিলগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বিল্লাল হোসেন সেলিম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় তিন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলেও দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পুলিশ বলছে, নিহত বিল্লাল আন্ত জেলা ডাকাত দলের সর্দার বা প্রধান ছিল। সে ডাকাতদের সংগঠিত করে বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি করত।

গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আনোয়ার হোসেন নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত অক্টোবর মাসে ডাকাতদলের সদস্যরা খিলগাঁও এলাকার একটি বাসায় তিন মাসের এক শিশুকে জিম্মি করে ডাকাতি করে সব লুট করে নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় একটি মামলা (নম্বর ৪৮) করা হয়। মামলার তদন্তে ডাকাতদলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তিতে সর্দার বিল্লালের নাম পাওয়া যায়। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ডেমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিসি আরো বলেন, বিল্লালকে নিয়ে রাত ২টার দিকে খিলগাঁওয়ের মোস্তফা মাঝি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ।

এ সময় সেখানে অবস্থানরত ডাকাতদলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে বিল্লাল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাকাতদের সঙ্গে গুলির ঘটনার সময় তিন পুলিশ সদস্য পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির খান, উপপরিদর্শক নাসির উদ্দিন ও হাসান আলী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আনোয়ার হোসেন। তিনি আরো বলেন, এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি শটগান, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। বিল্লালের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় ১০টি ডাকাতির মামলা পাওয়া গেছে। সে ডাকাতদের সংগঠিত করে বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করত। এদিকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পড়ে থাকলেও সেখানে তার কোনো স্বজন যায়নি।

 


মন্তব্য