kalerkantho


বসুন্ধরা টিস্যুর সাফল্য উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে গ্রুপের চেয়ারম্যান

৫ বছরের মধ্যে বসুন্ধরা টিস্যুর উৎপাদন হবে দিনে হাজার টন

বসুন্ধরা গ্রুপের সাফল্যের মূলে কর্মীদের ভালোবাসা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০



৫ বছরের মধ্যে বসুন্ধরা টিস্যুর উৎপাদন হবে দিনে হাজার টন

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে অনুষ্ঠিত হলো বসুন্ধরা টিস্যু ট্রেড স্কিম ২০১৬-এর সাফল্য উদ্যাপন অনুষ্ঠান। গতকাল রাতে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। ছবি : কালের কণ্ঠ

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বসুন্ধরা টিস্যুর উৎপাদন ক্ষমতা প্রতিদিন এক হাজার টন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। তিনি বলেন, ‘২০০০ সালে আমরা যখন টিস্যু কারখানা করি, ওই সময় আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র এক টন।

আর এই উৎপাদন ক্ষমতা আজকে প্রতিদিন ২০০ টন। আমরা আশা করছি, পাঁচ বছরের ভেতর প্রতিদিন উৎপাদন হবে এক হাজার টন। ’

গতকাল রবিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বসুন্ধরা টিস্যু ট্রেড স্কিম-২০১৬ সাফল্য উদ্যাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, বসুন্ধরা পেপার মিলের উপমহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) গোলাম সারওয়ার নওশাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, ‘আজকের বসুন্ধরা গ্রুপের অগ্রযাত্রার সব সাফল্য এই গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার। আমি শুধু নেপথ্যে থেকে নেতৃত্ব দেই। আপনাদের সমস্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের পণ্যের প্রতি ভালোবাসার কারণে বসুন্ধরা আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী। তিনটি নাম নেওয়া হলে এর মধ্যে একটি এই বসুন্ধরা। আর এর সব কিছুর জন্যে আপনাদের অবদান সবচেয়ে বেশি।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, যাঁরা বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাঁরা সবাই বসুন্ধরা পরিবারের একজন সদস্য। আমাদের ভালো-মন্দে সব সময় সব কিছুর সঙ্গে তাঁরা জড়িত। আমাদের ব্যথায় তাঁরা ব্যথিত হন, ভালো কাজে তাঁরা খুশি হন। তাঁদের খুশিতে বুক ভরে যায় এই মনে করে যে আমরাও বসুন্ধরা পরিবারের সদস্য। ’

নিজেকে অত্যন্ত সফল এবং গর্বিত মনে করে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, ‘১৯৯৯ সালে প্রথম সিমেন্ট কারখানা করি। তখন থেকে এই পর্যন্ত আমি একবার কী দুইবার কারখানায় গিয়েছি। কারণ আমাদের কারখানার শ্রমিকরা মনে করে তারা এই মিলের মালিক, তাই আমাকে যেতে হয় না। ’ তিনি আরো বলেন, ‘বসুন্ধরার প্রতি শ্রমিকদের এই ভালোবাসা কেনা যায় না। এটা মানুষের হৃদয়ের ভালোবাসা। তাই আমি আশা করি, আপনারা আমাদের দুর্দিনে যেমন ছিলেন, সুদিনেও থাকবেন। আজীবন আমাদের পাশে থাকবেন। ’


মন্তব্য