kalerkantho


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা

বিমসটেক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জুন, ২০১৭ ০০:০০



জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন দেশের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে প্রাকৃতিক সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চত করার লক্ষ্যে বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করার তাগিদ দেন তাঁরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ভুটান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি মি. ডোমাং, ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়ার পরিচালক সঞ্জয় ভাহসিস্ট, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কেভিন এডকিন, আমেরিকান সেন্টারের সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মকর্তা কেলি আর আরিয়ান, ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধি সজীব আহমেদসহ অন্যরা। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধে কোস্ট ট্রাস্টের প্রতিনিধি সৈয়দ আমিনুল হক বলেন, ভুটান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মতো দেশে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জীববৈচিত্র্য, ম্যানগ্রোভ বন, বর্জ্য এবং পানি ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোজন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু ভালো উদাহরণ আছে। অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে অন্য দেশের। অভিযোজনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক শিখনপ্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে।

সঞ্জয় ভাহসিস্ট বলেন, কৃষি প্রযুক্তি, পানির নিরাপত্তা এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনাকে আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত সার্কের তিনটি ঘোষণাপত্র আছে। কিন্তু রাজনৈতিক উদ্যোগ খুবই অপ্রতুল। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলো যেহেতু জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে; বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানে জলবিদ্যুতের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ এই এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য জরুরি।



মন্তব্য