kalerkantho


চরমোনাই পীরের সংবাদ সম্মেলন

ব্যক্তি নয়, দলের ভোটের পরিসংখ্যানে এমপি করার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মে, ২০১৭ ০০:০০



ব্যক্তি নয়, দলের ভোটের পরিসংখ্যানে এমপি করার প্রস্তাব

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেছেন, দলীয়ভাবে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। আগামীতেও দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ একটি ব্যবস্থা থাকা জরুরি। আগামীতে ব্যক্তিকে নয়, দলকে দেওয়া ভোটের হিসাব করেই সংসদ সদস্য নির্বাচন করা যেতে পারে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইসলামী আন্দোলনের আয়োজনে মতবিনিময়কালে চরমোনাইয়ের পীর এসব কথা বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংবিধানের আলোকে যদি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি করব না তা তখনই ভেবে দেখব। তবে আমরা চাই নির্বাচনটা যেন সুষ্ঠু হয়। জনগণ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে। ’

ইসলামী আন্দোলন কোনো জোটে যাবে কি না কিংবা ইসলামী দলগুলো নিয়ে জোট গঠন করে নির্বাচনী মাঠে আসবে কি না—সাংবাদিকদের এসব প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ রেজাউল করীম বলেন, ‘আমাদের স্লোগান হচ্ছে নো আওয়ামী লীগ, নো বিএনপি, ইসলাম ইজ দ্য বেস্ট। তবে আমাদের দলের মূলনীতি বা নীতি আদর্শের সঙ্গে যদি কোনো দলের মিল থাকে তাদের নিয়ে ঐক্য হতে পারে। ’ তবে আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে রোজার আগেই ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়ে চরমোনাইয়ের পীর বলেন, ‘মহিলা মূর্তি সামনে রেখে আমরা নামাজ (ঈদের) পড়তে চাই না। পৃথিবীর কোথাও সুপ্রিম কোর্টের সামনে এ ধরনের মূর্তি নির্মাণের ইতিহাস নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কিভাবে সেখানে গ্রিক দেবীর মূর্তি নির্মিত হলো তা তিনি জানেন না। তিনি বলেছেন, এটা তাঁর পছন্দও নয়। তাহলে এটা সরানো হচ্ছে না কেন?’ তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাসী। রমজানের আগেই আমরা এই ‘মূর্তি’ সরানোর দাবি জানিয়ে আসছি। এর পরও যদি সরানো না হয় তাহলে আগামী ১৭ রমজান বদর দিবসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করব। এর পরও যদি মূর্তি সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে না সরে তাহলে রোজার পরে কঠিন কর্মসূচি পালন করা হবে। ’

মতবিনিময়সভায় অন্যদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, চরমোনাই পীরের রাজনৈতিক সচিব অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন্দ, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব এ টি এম হেমায়েত উদ্দিন, গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আমিনুল ইসলাম, ইমতিয়াজ আলম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলাসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য