kalerkantho


হবিগঞ্জে চা শ্রমিকের শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার, আটক ১

হবিগঞ্জ ও ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২০ মে, ২০১৭ ০০:০০



হবিগঞ্জে চা শ্রমিকের শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার, আটক ১

হবিগঞ্জের বাহুবলে এক চা শ্রমিকের ৯ বছরের শিশুকন্যা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আহত শিশুটিকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় লাদেন নামের ওই ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বৃন্দাবন চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ময়মনসিংহ নান্দাইলের পংকরহাটি গ্রামে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এক গৃহবধূর মাথা ফাটিয়েছে বখাটেরা। পরে ওই গৃহবধূকে নান্দাইল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দুপুরে থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিল্লাল হোসেন (৩৫) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

হবিগঞ্জের ঘটনায় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাহুবল উপজেলার বৃন্দাবন চা বাগানের এক শ্রমিকের শিশুকন্যা স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটঘর এলাকার লাদেন রবি দাশ (২০) শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

এ সময় শিশুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে লাদেন পালিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ধর্ষিত শিশুকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পরপরই বাহুবল থানা পুলিশ লাদেনকে আটক করেছে।

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার তার মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বাহুবল থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতা লাদেনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নান্দাইলের ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। রাত ২টার দিকে দরজা ভাঙার শব্দ পেয়ে তিনি ঘুম থেকে ওঠেন। এ সময় তিন বখাটে তাঁকে ধর্ষণচেষ্টা করে। এতে ব্যর্থ হয়ে ঘরে প্রবেশকারী হানিফ, রুবেল ও বিল্লাল লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ সময় তাঁর ১০ বছরের সন্তান ও স্বামী-শাশুড়ি এগিয়ে এলে তাদের মারধর করা হয়। পরে এক প্রতিবেশী ছুটে এসে বিল্লালকে হাতেনাতে আটক করে। কিন্তু বাকি দুজন পালিয়ে যায়।

গতকাল থানায় গিয়ে দেখ যায়, ওই গৃহবধূর স্বামী মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমি এ হামলার বিচার চাই। ’

নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস আলী বলেন, গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নারী নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


মন্তব্য