kalerkantho


মিজারুল কায়েসের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি আজ দাফন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



মিজারুল কায়েসের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি আজ দাফন

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মিজারুল কায়েসের মরদেহে গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মিজারুল কায়েসের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাল সর্বস্তরের মানুষ। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গতকাল সোমবার সকাল সোয়া ১০টায় এ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

মরহুমের স্ত্রী ও দুই মেয়ে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

‘শিল্পভুবনের প্রিয়জন মেধাবী কূটনীতিক মিজারুল কায়েসের প্রতি জাতির শ্রদ্ধাঞ্জলি’ লেখা কালো ব্যানারের সামনে রাখা হয়েছিল মিজারুল কায়েসের কফিন। আগে থেকেই সেখানে সমবেত হয়েছিলেন শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের প্রতিনিধি ও পদস্থ সাবেক কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁর সহকারী সামরিক সচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ প্রয়াতের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর বিভিন্ন সংগঠন, শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিসিএস ৮২ ফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পাকুন্দিয়া সমিতি, ঢাকা কলেজ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও চারুকলা অনুষদ মিজারুল কায়েসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মিজারুল কায়েসের রেখে যাওয়া আদর্শ মেনে চলতে হবে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি যে সাহস দেখিয়েছেন, তা অনুকরণীয়।

বিসিএস ৮২ ফোরামের সভাপতি সাবেক সচিব মিজানুর রহমান বলেন, মিজারুল কায়েস ছিলেন ফোরামের প্রাণ।

তাঁর মেধা ছিল অতুলনীয়। তিনি স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু, পতাকা, মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে কোনো দিন আপস করেননি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন সভায় মিজারুল কায়েসের মন্তব্য শুনতে চাইতেন। সাবেক সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, অত্যন্ত মেধাবী একজন সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা ছিলেন মিজারুল কায়েস। তাঁর সঙ্গে থাকা মানেই কিছু জ্ঞান লাভ করা।

উল্লেখ্য, মিজারুল কায়েস গত ১১ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর প্রথম জানাজা গত সপ্তাহে ব্রাসিলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। গত রবিবার মধ্যরাতে তাঁর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। এরপর মরদেহ প্রথমে তাঁর বনানীর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে গতকাল সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেওয়ার পর সকাল সাড়ে ৮টায় মন্ত্রণালয়ের মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


মন্তব্য