kalerkantho


ফিটনেস

শিশুদের জন্য ব্যায়াম

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



শিশুদের জন্য ব্যায়াম

ব্যায়াম বা এক্সারসাইজের কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একদল তরুণের দৌড়াদৌড়ি, জিমে ঘাম ঝরানো বা বয়স্কদের রাস্তা, মাঠ বা পার্কে হাঁটাহাঁটি বা খালিহাতে ব্যায়ামের কথা। কিন্তু এই তরুণ ও বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন, সেটা আমরা মোটেও মনে রাখি না। অথচ সুস্থ শরীরের জন্য সুষম খাবারের পাশাপাশি তাদেরও ব্যায়ামের প্রয়োজন। তবে সব শিশুর জন্য কিন্তু সমান ব্যায়াম নয়। আগে আমরা দুই-তিন বছরের শিশুদের ব্যায়াম সম্পর্কে জেনেছি, আজ জানব চার থেকে ১৮ বছর বয়স্কদের জন্য উপযোগী ব্যায়াম সম্পর্কে।

চার-পাঁচ বছরের শিশুর ব্যায়াম : এ সময় শিশুর বয়স বাড়বে। ব্যায়ামে আনতে হবে পরিবর্তন। ভারসাম্য রক্ষা এবং শারীরিক দক্ষতা বাড়ানোর ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। এ সময় এক ঘণ্টা অনুশীলন আবশ্যক। তবে দুই ঘণ্টা ব্যয় করতে পারলে আরো ভালো। সময়কে দুইভাগে ভাগ করে অনুশীলন করা ভালো।

এক ঘণ্টা পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যায়াম করতে হবে। অন্য সময়টা শিশু যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে।

শিশুর শারীরিক অবস্থা অনুয়ায়ী ব্যায়াম নির্ধারণ করতে হবে। তবে হাত ও চোখের সমন্বয় বাড়ানোর জন্য ‘ক্যাচ নেওয়া’, ভারসাম্য দক্ষতা বাড়ানোর জন্য জিমন্যাস্টিকস ধরনের কিছু করতে হবে। সাঁতার ও সাইকেল চালনা শেখাও যোগ করা যেতে পারে। এ বয়সে প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়ায়ও অংশ নিতে পারে বাচ্চারা। তবে অংশগ্রহণকারী বাচ্চাদের সংখ্যাটা কম হওয়া ভালো।

৬-১২ বছরের শিশুর ব্যায়াম : এ বয়সের শিশুরা দলীয় খেলায় অংশ নিতে শুরু করে। এ সময় তাদের অন্তত এক ঘণ্টা শারীরিক অনুশীলন করা উচিত। আসলে এটা এমনই সময় যে, শিশুদের ফিটনেস তৈরির জন্য যা দারুণ উপযোগী। ঘরে ব্যায়ামের পাশাপাশি এ সময় তারা সপ্তাহে একাধিকবার দলীয় খেলায় অংশ নেয়। তা ছাড়া এ সময় তাদের যোগ ব্যায়ামের ক্লাসে দেওয়া যেতে পারে। এমনকি শিশুদের উপযোগী জিমনেসিয়ামে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।


মন্তব্য