kalerkantho


স্কুল পরিচালনা কমিটি

শ্রেষ্ঠ সভাপতির স্বীকৃতি পেলেন দিলারা মোস্তফা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



শ্রেষ্ঠ সভাপতির স্বীকৃতি পেলেন দিলারা মোস্তফা

মানিকগঞ্জ আফতাব উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দিলারা মোস্তফার হাতে স্কুল পরিচালনায় শ্রেষ্ঠ সভাপতির সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। ছবি : কালের কণ্ঠ

স্কুল পরিচালনা কমিটির শ্রেষ্ঠ সভাপতির স্বীকৃতি পেলেন আফতাব উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দিলারা মোস্তফা। গতকাল শনিবার মানিকগঞ্জে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় তাঁকে ক্রেস্ট দিয়ে এই সম্মাননা জানানো হয়।

দিলারা মোস্তফার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান।

গতকাল মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক শিক্ষা উপবৃত্তি (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান। উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্মশালার আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক শহীদ মোর্তজা খান। ঢাকা বিভাগের আটটি জেলার শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অভিভাবকরা এ কর্মশালায় অংশ নেন।

শ্রেষ্ঠ সভাপতির স্বীকৃতি পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে দিলারা মোস্তফা বলেন, ‘স্কুলটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত। তবে আমি দায়িত্ব নিই ২০১০ সালে। তার আগে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৫০।

ভাঙা টিনের ঘরে ক্লাস হতো। ছিল না পর্যাপ্ত ও মানসম্মত শিক্ষক। খেলাধুলার কোনো ব্যবস্থাও ছিল না। দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ অর্থায়নে তৈরি করি দোতলা স্কুল ভবন। পর্যাপ্ত আসবাব। করা হয় আলাদা লাইব্রেরি ও কম্পিউটার রুম। মাটি ভরাট করে খেলার মাঠ। বাউন্ডারি দিয়ে নিশ্চিত করা হয় স্কুলের নিরাপত্তা। যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয় পর্যাপ্ত শিক্ষক। এ ছাড়া হতদরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া হয়েছে আর্থিক সহায়তা। বর্তমানে এই স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় শতাধিক। পরীক্ষার ফলও আশাব্যঞ্জক। ভবিষ্যতে স্কুলটি কলেজে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। ’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষার সব ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য ছাত্রীদের উপবৃত্তি চালু করেছে সরকার। পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের জন্যও উপবৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। এই উপবৃত্তির আরো প্রসারের চিন্তাভাবনা চলছে। ’

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ সদরের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুন নাহার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপপরিচালক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল, টাঙ্গাইলের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা জামান, নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লক্ষ্মী চ্যাটার্জি, হাজি জহিরুল মাদরাসার সভাপতি ইকবাল হোসেন খান এবং মনসুরউদ্দিন শহীদ সরণি স্কুলের সভাপতি মমিন উদ্দিন খান।


মন্তব্য