kalerkantho


আয় বৃদ্ধি ও ঘাটতি মোকাবেলা

খুলনা ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট

কৌশিক দে, খুলনা   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বাণিজ্যিকভাবে বোতলজাত পানি উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা ওয়াসা। সংস্থাটির আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর মুজগুন্নী এলাকায় ‘বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট’ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্লান্টটি চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ওয়াসার কর্মকর্তারা জানান, দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় খুলনায় পানির দাম অনেক কম। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই প্রতি মাসে ওয়াসাকে মোটা অঙ্কের টাকা ভর্তুকি দিতে হয়। নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সংস্থার আয় বাড়বে।

২০১৬ সালে খুলনা ওয়াসা কর্তৃপক্ষ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় বোতল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। পরে মুজগুন্নী এলাকায় ১৪ কাঠা জমি কেনা হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের সঙ্গে তাদের চুক্তি সই হয়।

চুক্তির পরই ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্লান্টটির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের এপ্রিলে প্লান্টের নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং জুনের মধ্যে তারা উৎপাদনে যাবে। প্রকল্পের আওতায় একটি দ্বিতল ভবন, মেকানিক্যাল সরঞ্জাম ও বোতলের কাঁচামাল ক্রয়, ওয়াটার পিউরিফিকেশন, পানি বোতলজাতকরণ ও প্রডাকশন টিউবওয়েল ইত্যাদি স্থাপন করা হবে। এখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৩০০ মিলিলিটার, ৫০০ মিলিলিটার, এক ও দুই লিটার বোতলজাত পানি উৎপাদন করা হবে। প্লান্ট থেকে প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ পিইঞ্জ কালের কণ্ঠকে বলেন, বোতলজাত পানি উৎপাদন প্লান্টের কাজ এগিয়ে চলছে। এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে ওয়াসার আয় বাড়বে। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি। এ জন্য প্রতি মাসে ঘাটতি থাকে। সরকারও এ ধরনের সংস্থাকে আত্মনির্ভরশীল হতে পাঁচ বছরের বেশি সময় দেয় না। ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি সে অর্থে আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। ’


মন্তব্য