kalerkantho


শরীর থাকবে ‘ফিটফাট’

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



শরীর থাকবে ‘ফিটফাট’

বাস্তবতা মানুন : আপনি কখনোই আলসে ঘরকুনো স্বভাব ছেড়ে রাতারাতি অ্যাথলেটে পরিণত হতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে বাস্তবতা মানতে হবে। প্রতিদিন শারীরিক অনুশীলন, পর্যাপ্ত ইচ্ছাশক্তি ও সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে শরীর ফিট করতে হবে। রাতারাতি শারীরিক উন্নতির চেষ্টা করলে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে, যা হিতে বিপরীতও হতে পারে।

একঘেয়েমি নয় : আপনার শারীরিক অনুশীলন এমনভাবে করতে হবে যেন একঘেয়েমি কোনোভাবেই না আসে। এ জন্য অনুশীলনের ধরন পাল্টাতে হবে। যে অনুশীলন ভালো লাগে তাই করতে হবে। দৌড়াতে ভালো না লাগলে সাইকেল চালান।

ইভেন্টে অংশ নিন : জিমে বা ঘরে বসে শুধু শারীরিক অনুশীলনের মাধ্যমে শরীর ফিট রাখাই যথেষ্ট নয়। আপনার শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিন। আপনি যদি ভালো সাইকেল চালান তাহলে কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করুন।

ভালো দৌড়ানোর ফিটনেস থাকলে ম্যারাথনে অংশ নিতে পারেন।

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন : কোনো লক্ষ্য ছাড়া ফিটনেস বজায় রাখাও অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই আপনার অনুশীলনের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে শরীরের কোনো নির্দিষ্ট মাপ কিংবা ওজন হতে পারে লক্ষ্য। কিংবা প্রতিদিন পাঁচ মাইল দৌড়ানোর মতো শারীরিক সক্ষমতা অর্জনও হতে পারে নির্দিষ্ট লক্ষ্য।

সঙ্গী নিন : একা অনুশীলন করলে অনেকের পক্ষেই উৎসাহ বজায় রাখা সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে দুজন কিংবা কয়েকজন একসঙ্গে অনুশীলন করলে সুবিধা হয়। এতে একটি টিমওয়ার্কের পরিবেশ গড়ে ওঠে। ফলে অনুশীলনের একঘেয়েমিও কাটানো যায়।

পরামর্শ গ্রহণ করুন : সামান্য শারীরিক অনুশীলনেও এমন কিছু বিষয় রয়েছে, যা আপনার জানা নাও থাকতে পারে। ভুল অনুশীলনে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ কারো পরামর্শে চলা উচিত।

হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য