kalerkantho


কসবায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

‘তাজুল হুজির বিভিন্ন হামলায় সম্পৃক্ত ছিল’

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত তাজুল ইসলাম মাহমুদ ওরফে মামা হুজুরের লাশ নেয়নি তাঁর পরিবার। সে কারণে পুলিশের উদ্যোগে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, তাজুল ইসলাম মাহমুদ জঙ্গিগোষ্ঠী হরকাতুল জিহাদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।  

এদিকে তাজুল ইসলামের মৃত্যুতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে স্বস্তি ফিরেছে। তাঁর নিজ গ্রাম উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের সাদুল্লাপুরের মানুষ বলছে, বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁর তত্পরতা সন্দেহজনক ছিল। তারা বলছে, পুলিশ যেন তাজুলের সহযোগীদের বিষয়েও নজর রাখে।

গত বুধবার গভীর রাতে কসবা উপজেলার কুটি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন তাজুল ইসলাম মাহমুদ। কসবায় তিনি মামা হুজুর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কসবার জগন্নাথপুর গ্রাম থেকে ফরিদ মিয়া নামে এক কবিরাজের লাশ উদ্ধারের পর আলোচনায় আসেন তিনি। ২৪ ফেব্রুয়ারি জহির মিয়া নামের এক ব্যক্তি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন যে তাজুল অর্থাৎ মামা হুজুরের নির্দেশেই ফরিদ মিয়াকে তিনি হত্যা করেন।


মন্তব্য