kalerkantho


ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

শেখ হাসিনার দিল্লি সফর হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে মাইলফলক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন নয়াদিল্লি সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে মাইলফলক হবে বলে দৃঢ় আশাবাদী ভারত। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি মাইলফলক সফর হতে যাচ্ছে।

এ সফর সত্যিকার অর্থেই গুরুত্বপূর্ণ করতে এবং সফরে উল্লেখযোগ্য ফল আনতে উভয় পক্ষই বেশ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে। ’

প্রধানমন্ত্রীর সফরে প্রতিরক্ষাবিষয়ক কোনো চুক্তি হবে কি না জানতে চাইলে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। তিনি আশ্বাস দেন, সফরের প্রাক্কালে তিনি সফর নিয়ে আলাদা ব্রিফ করবেন। পানি ভাগাভাগির বিষয়ে ভারত বাংলাদেশকে কোনো সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার এরই মধ্যে করেছে কি না জানতে চাইলে গোপাল বাগলে বলেন, সফরের প্রাক্কালে অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তিনি ব্রিফিংয়ে জানাবেন।

বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার যৌথ ঘোষণায় জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ভারতে রাষ্ট্রীয় সফর করবেন। নয়াদিল্লিতে দুই নেতার আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে ৮ এপ্রিল।

যৌথ ঘোষণায় আরো বলা হয়, ‘আসন্ন সফর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দুই নেতার মধ্যে আস্থা ও মৈত্রীর জোরালো বন্ধন আরো দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ’

ঢাকার সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সফরে পানি ইস্যুতে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেবে। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি ও গঙ্গা ব্যারাজ নিয়ে আলোচনা হবে।

এ সফরে স্বাক্ষরের জন্য প্রায় ৪১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) দুই দেশের বিবেচনায় রয়েছে। শেষ পর্যন্ত অন্তত ২০ থেকে ২৫টি চুক্তি এবং এমওইউ স্বাক্ষরিত হতে পারে।

জানা গেছে, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরে বাংলাদেশ আশা ছাড়েনি। পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ গত বুধবার ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেন, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষর করবে বলে বাংলাদেশ আশা করছে। তবে বাংলাদেশ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য কোনো সময়সীমা বেঁধে দেবে না।


মন্তব্য