kalerkantho


রিড ফার্মার মামলায় হাইকোর্টের জিজ্ঞাসা

অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তাকে কেন অপসারণ নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ পান করে ২৮ শিশু মৃত্যুর মামলা পরিচালনায় অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ও সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁদের চাকরি থেকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা জানাতে স্বাস্থ্যসচিব ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ৬ এপ্রিল পরবর্তী আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক আবেদনে এই আদেশ দেন আদালত। আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

রিড ফার্মার বিষাক্ত প্যারাসিটামল সিরাপ পানে কিডনি নষ্ট হয়ে ২০০৯ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ২৮ শিশু মারা যায়। এ ঘটনায় ওই কারখানায় ভেজাল ও নিম্নমানের প্যারাসিটামল তৈরির অভিযোগ এনে ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।

গত বছরের ২৮ নভেম্বর এ মামলার এক রায়ে ঢাকার ড্রাগ আদালত রিড ফার্মার মালিক মিজানুর রহমান, তাঁর স্ত্রী পরিচালক শিউলি রহমান, পরিচালক আবদুল গণি, ফার্মাসিস্ট মাহবুবুল ইসলাম ও এনামুল হককে খালাস দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্টের পৃথক একটি বেঞ্চ গত ৯ মার্চ এক আদেশে ওই পাঁচজনকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।


মন্তব্য