kalerkantho


মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট

টিআইবির প্রতিবেদন বানোয়াট বললেন প্র্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



অভিবাসন খাতে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনটি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি। তিনি বলেছেন, টিআইবির এ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয় বা অভিবাসন খাতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

এর প্রতিবাদ পাঠানো হবে।

প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ‘রিপোর্টার্স ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস’ (আরবিএম)-এর নবগঠিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। গতকাল প্রবাসীকল্যাণ ভবন মিলনায়তনে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি টিআইবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সুশাসনের প্রচণ্ড অভাব রয়েছে। বিদেশগামী পুরুষদের ৯০ শতাংশই দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার। আর ভিসা বা চাহিদাপত্র কিনতে শুধু ২০১৬ সালেই পাঁচ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। একই ভাবে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের গ্রুপ ভিসার নিয়োগ অনুমতি নিতে মন্ত্রণালয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটকে ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) বহির্গমন শাখায়ও ছাড়পত্র নেওয়ার আগে কর্মীদের ঘুষ দিতে হয়।

প্রবাসীকল্যাণসচিব বেগম শামছুন্নাহার বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি মন্ত্রণালয়ের সব বিভাগীয় প্রধানদের কাছে পাঠিয়েছি।

তাঁরা যাচাই-বাছাই করে মতামত দেওয়ার পরে টিআইবির ওই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ পাঠানো হবে। ’

এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় কোনো সিন্ডিকেট নেই। ১০ থেকে ১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি সেখানে কাজ করবে। তবে সিন্ডিকেটের অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আমি করতে দিইনি। ’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করে প্রবাসীকল্যাণসচিব বলেন, ‘বর্তমানে দেশে এক হাজার ৮১টি রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে। কোনো দেশেই সব এজেন্সি একসঙ্গে লোক পাঠায় না। সৌদি আরব, কাতারসহ অন্যান্য দেশে ২০-৫০টি এজেন্সি লোক পাঠাচ্ছে। আমরা মালয়েশিয়ার কাছে বৈধ সব এজেন্সির তালিকা পাঠিয়েছিলাম। সেখান থেকে তারা ১০টি এজেন্সিকে বাছাই করেছে। তাদের সঙ্গে আরো ২০টি এজেন্সি কাজ করবে। কোন দেশে কয়টি এজেন্সি শ্রমিক পাঠাবে তা নির্ভর করে চাহিদা সংগ্রহের ওপর। আর চাহিদা সংগ্রহ এজেন্সিগুলোর কাজ।


মন্তব্য