kalerkantho


রাজধানীতে পুলিশকে ছুরি মেরে ছিনতাই

উদ্ধার হয়নি প্রকৌশলীর ল্যাপটপ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



রাজধানীর পুরান ঢাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে অলিউল্লাহ খান (৪০) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। গত রবিবার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

তাঁর কাছ থেকে ২১ শ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন সেট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাতেই ওই পুলিশ কনস্টেবলকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো—রানা (১৯), রাকিব (১৮) ও  রেজাউল (১৮)।

এদিকে রবিবার রাতে পৃথক ঘটনায় রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায়  ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন তুষার বিশ্বাস নামের এক প্রকৌশলী। ছিনতাইকারীরা তাঁর কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, চেকবইসহ নানা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় একটি জিডি হয়েছে। তবে পুলিশ গতকাল বিকেল পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। উদ্ধার হয়নি প্রকৌশলীর ল্যাপটপসহ মালামাল।

আহত পুলিশ সদস্য অলিউল্লাহ হাসপাতালে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে তিনি সিএমএম কোর্টের ডিসি প্রসিকিউশনের অধীনে কর্মরত। রবিবার রাত প্রায় সোয়া ১টার দিকে যাচ্ছিলাম সিএমএম কোর্ট এলাকার ব্যারাকের উদ্দেশ্যে। একপর্যায়ে দুই ছিনতাইকারী পেছন থেকে তাঁকে দাঁড়াতে বলে। একপর্যায়ে তারা কাছে এসে তাঁকে পেছন  থেকে ধরে ফেলে। এরপর সেখানে এগিয়ে আসে আরো দুই ছিনতাইকারী। এদের একজন তাঁর বাম পাঁজরে ছুরিকাঘাত করে। তার কাছ থেকে ২১ শ টাকা ও একটি  মোবাইল ফোন সেট নিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, ওই অবস্থায় তিনি এক ছিনতাইকারীকে ঝাপটে ধরে চিত্কার করতে থাকেন। তখন টহল পুলিশ ও স্থানীয় জনতা এগিয়ে এসে আরো দুজনকে ধরে ফেলে।

কাফরুলে ছিনতাইয়ের শিকার প্রকৌশলী :  তুষার বিশ্বাস গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, তিনি ও তাঁর বন্ধু গত রবিবার রাতে মিরপুরের কাফরুল থানাধীন পুলিশ স্টাফ কলেজের দিক থেকে মিরপুর-১০ নম্বরের দিকে রিকশাযোগে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিআরটিএ অফিসের সামনে যাওয়ার পরপরই একটি মোটরসাইকেলে দুজন এসে তাঁর হাতে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়। ব্যাগের ভেতরে ল্যাপটপ, চেকবইসহ নানা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল। এ ঘটনায় কাফরুল থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। জিডি নম্বর ৮৩৪।

কাফরুল থানা পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


মন্তব্য