kalerkantho


ওজন নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন...

১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ওজন নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন...

পপকর্ন : পপকর্নে চিনি, বাটার ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান না থাকলে তা দেহের ওজন বাড়াবে না বললেই চলে। এটি বাড়িতে বানিয়েও খেতে পারেন।

এক কাপ পপকর্নে মাত্র ৩১ কিলোক্যালরি থাকে।

বেগুন : অনেকেই জানেন না যে বেগুন দেহের ওজন বাড়ায় না। তেল ছাড়া রান্না বা গ্রিল করলে গড়পড়তা একটি বেগুনে মাত্র ২৪ কিলোক্যালরি থাকে।

কমলা ও আঙুর : ওজন কমানোর জন্য আদর্শ ফল হিসেবে কমলা ও আঙুরের কথা বলা হয়। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন ‘সি’। এগুলো দেহের হজমশক্তি বাড়ায়, যকৃৎ ও ত্বক ভালো রাখে।

তরমুজ ও ফুটি : তরমুজ ও ফুটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জলীয় অংশ। ফলে এগুলো ক্ষুধা নিবারণ করে। এগুলোতে নানা ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান থাকায় শরীরের চাহিদাও মেটায়।

তরমুজ ও ফুটির প্রতি গড়পড়তা পিসে রয়েছে ৬০-৭০ কিলোক্যালরি।

সামুদ্রিক শৈবাল, অ্যালগি : আমাদের দেশে অ্যালগি নামে সামুদ্রিক শৈবাল খাওয়ার খুব একটা প্রচলন নেই। তবে এগুলো আয়োডিনসহ বিভিন্ন পুষ্টির উৎস। ওজন কমানোর সময় দেহের হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখাসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এটি।

ধুন্দল : দেহের লবণ ও পানির অনুপাত ঠিক রাখতে সহায়তা করে ধুন্দল। একটি স্বাভাবিক মাত্রার ধুন্দলে ৪২ কিলোক্যালরি থাকে।

শসা : যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের নিয়মিত শসা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। দেহ ফুলে ওঠা প্রতিরোধেও এটি কার্যকর।

বিটমূল : বিটমূল শুধু পুষ্টিকর খাবারই নয়, এটি ম্যাঙ্গানিজেরও উৎস, যা দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দেহের বাড়তি মেদ কমাতেও বিটমূল কার্যকর। এ ছাড়া রক্তের শর্করাও কমাতে সক্ষম বিটমূল। গড়পড়তা একটি বিটমূলে ৪০ কিলোক্যালরি পাওয়া যায়।

ওয়েবসাইট অবলম্বনে

ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য