kalerkantho


ঢাবিতে ওবায়দুল কাদের

শেখ হাসিনার অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব

সুবর্ণ জয়ন্তীতে সূর্য সেন হলের মিলনমেলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকে ক্ষমতাসীন সরকার। তেমনিভাবে বাংলাদেশেও শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সরকার থাকলে দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। ’

গতকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে (টিএসসি) মাস্টারদা সূর্য সেন হলের সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুম মুনীর প্রমুখ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে শিক্ষক রাজনীতিতে ছাত্ররাজনীতি এবং ছাত্ররাজনীতে শিক্ষক রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আমি বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখেছি শিক্ষকরা ছাত্রনেতাদের তোষামোদ করছেন, খুশি করার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। ছাত্রনেতারা শিক্ষকদের রুমে এসে হুমকি দিচ্ছে। শিক্ষকরাও এটি মেনে নিচ্ছেন। এই ছাত্রনেতাদের কাছে নিজের আত্মসম্মানবোধ বিকিয়ে দেবেন না। ’ তিনি আরো বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন, কমিশনের জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ নয়, নির্বাচন কমিশনের আজ বড় চ্যালেঞ্জ হলো নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রোধ। কারণ নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের এক অঙ্ক বেঁধে দেয়, কিন্তু প্রার্থীরা ব্যয় করেন তার চেয়ে শত শত গুণ বেশি।

সুবর্ণ জয়ন্তীতে সূর্য সেন হলের মিলনমেলা : সুবর্ণ জয়ন্তীতে স্মৃতি রোমন্থনে পুরো একটি দিন আনন্দের ভেলায় ভাসলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলের সাবেকরা। সহপাঠীদের সঙ্গে মেতেছিলেন গল্প, আড্ডা আর গানে। প্রাণের বন্ধনে একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে প্রত্যেকেই যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য ফিরে যান সেই হারানো দিনগুলোতে। হাতড়ে ফেরেন ক্যাম্পাস জীবনের সেই উচ্ছল, বাধাহীন তারুণ্য ও ছোট ছোট গল্পগুলোকে।

মাস্টারদা সূর্যসেন হল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এই আবাসিক হলের নাম ছিল জিন্নাহ হল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী সূর্য সেনের নামানুসারে এই হলের নামকরণ হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরেফিন সিদ্দিক সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শত ব্যস্ততার মাঝেও যে আজ আপনারা আপনাদের মাতৃসম প্রতিষ্ঠানে এসেছেন, এর মধ্য দিয়ে আপনাদের সহমর্মিতা প্রকাশ পায়। আপনাদের এই ফিরে আসার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবে। আপনাদের মেলবন্ধন আরো দৃঢ় হবে। ’

 


মন্তব্য