kalerkantho


তিন জেলায় জামায়াত শিবিরের ১৩ জনসহ গ্রেপ্তার ১৪

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরগুনায় জামায়াত-শিবিরের ১৩ নেতাকর্মী ও এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজশাহী নগরে এক নারী ও ছাত্রশিবিরের সাত কর্মীকে আটক করা হয়। একই রাতে চট্টগ্রাম নগরে আটক করা হয় নোয়াখালী জামায়াতের এক নেতাকে। গতকাল শুক্রবার বরগুনার আমতলী পৌর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জামায়াতের বরিশাল বিভাগের সমন্বয়ক ফকরুদ্দীন খানসহ চারজনকে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধির পাঠানো খবর—

রাজশাহী : রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (সদর) ইফতে খায়ের আলম গতকাল দুপুরে এক নারীসহ আটজনকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন ধরমপুর এলাকার মৃত খবির উদ্দিনের স্ত্রী হানুফা বেগম (৪৫), শিবিরকর্মী কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার চোতরাপুকুরিয়া গ্রামের আরিফুজ্জামান (২৩), ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পাড়মাথুরিয়া গ্রামের জামিরুল ইসলাম (২১), কুড়িগ্রামের রাজীবপুর এলাকার নয়াচড়ু মদনপাড়া গ্রামের কামরুল হাসান (২২), কুমিল্লা সদর থানার বাগাড় চোয়াড়া গ্রামের জিয়াউর রহমান (২৩), জয়পুরহাট সদর এলাকার কয়তাহার গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৩), টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার পলাশিয়া গ্রামের আবদুস সবুর (২৩) ও বগুড়ার ধুনট উপজেলার রানভিলা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (২২)।

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে আত্মগোপনে থাকা নোয়াখালীর নেতা হাজি মো. বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নগরের মাঝিরঘাটে ভূঁইয়া ট্রেডিং করপোরেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় থেকে তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন বিতর্কিত বই উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলা দায়েরের পর গতকাল দুপুরে বিষয়টি প্রকাশ করেছে পুলিশ।

মহানগর ডিবির সহকারী কমিশনার (উত্তর) কাজল কান্তি বড়ুয়া জানান, বেলাল নোয়াখালীর সেনবাগ পৌরসভা জামায়াতের সহসভাপতি।

নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া আটটি মামলার পলাতক আসামি তিনি। নাশকতা চালাতে জামায়াতকে সংগঠিত করার জন্য বেলাল বৈঠক করছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। পুলিশের অভিযানের আগেই ওই বৈঠক থেকে ১০-১২ জন পালিয়ে যায়।

বরগুনা :  আমতলী থানার পুলিশ জানায়, মাদানীনগর হাফেজিয়া মাদরাসা ভবনের একটি কক্ষে বৈঠকরত অবস্থায় জামায়াতের পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন বরিশাল বিভাগের সমন্বয়ক ও জামায়াতের পটুয়াখালী জেলার সাবেক আমির ফকরুদ্দীন খান, খেখুয়ানি গ্রামের হাফেজ আব্দুর রশিদ, কাউনিয়া গ্রামের বাসিন্দা চন্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কামাল হোসেন, আমতলী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আব্দুর রহমান ও পটুয়াখালীর আউলিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা মাদানী নগর মাদরাসার তত্ত্বাবধায়ক হাফেজ মো. নুরুল আমিন।


মন্তব্য