kalerkantho


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

খালেদার আবেদনে আদালত বদলের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের আদালত থেকে ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার বিচার সম্পন্ন করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন। বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে গতকাল এ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এদিকে এ মামলায় টাকার উৎস বিষয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদনের ওপর গতকাল একই বেঞ্চে শুনানি শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদেশ দেবেন আদালত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা মডেল থানায় মামলা করে। মামলায় খালেদা জিয়া এবং তাঁর দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট এ মামলার অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এ মামলার বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে। এ অবস্থায় বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানান খালেদা জিয়া।

কিন্তু বিচারক গত ২ ফেব্রুয়ারি এই আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। এই আবেদনের ওপর গত ৫ মার্চ শুনানি শেষ হয়। আবেদনটি মঞ্জুর করে গতকাল আদেশ দেন হাইকোর্ট।

টাকার উৎস বিষয়ে পুনঃ তদন্তের নির্দেশনা নিয়ে আদেশ আজ : এ মামলায় টাকার উৎস নিয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে ২৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। গতকাল এ আবেদনের ওপর শুনানি হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান ও অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ভুঁইয়া। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের বক্তব্য, এ মামলায় দুই বার তদন্ত করেছে দুদক। প্রথম দফায় দুদকের কর্মকর্তা নূর আহমেদ তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগ থেকে খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছেন। অথচ দুদক আগের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ না করে এ মামলায় নতুন কর্মকর্তা হিসেবে হারুন অর রশিদকে নিয়োগ দেয়। এ তদন্ত কর্মকর্তা খালেদা জিয়াকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেন। তাতে বলা হয়, টাকা এসেছে সৌদি আরব থেকে।


মন্তব্য