kalerkantho


সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে প্রতীকী মূল্যে বালু রপ্তানির সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে প্রতীকী মূল্যে বালু রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেড নামে দেশীয় একটি কম্পানিকে বালু রপ্তানির আদেশ দেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে কম্পানিটি নিজ খরচে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে তা রপ্তানি করবে। বিনিময়ে প্রতি ঘনফুট বালুর দাম এক টাকা প্রতীকী মূল্যে সরকারকে পরিশোধ করতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল সোমবার জাতীয় বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে রপ্তানির জন্য উত্তোলিত প্রতি ঘনফুট বালুর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক টাকা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেড প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য নিজ খরচে যমুনা নদী ড্রেজিং এবং ড্রেজিংকৃত বালু সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপে রপ্তানির বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৮ অক্টোবর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলকভাবে বালু উত্তোলন ও তা রপ্তানির বিষয়ে একমত হয়।

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গতকালের বৈঠকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেছবাহ উল আলম, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায় ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ড্রেজিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, নৌযান চলাচল উপযোগী ও নাব্যতা যথাযথ রেখে যমুনা নদীর প্রস্তাবিত স্থান থেকে পরীক্ষামূলক আপাতত ছয় মাসের জন্য বালু উত্তোলন করা যাবে।

তবে কোনোভাবে পরিবেশের বিরূপতা পরীলক্ষিত হলে তা বন্ধ রাখতে হবে।


মন্তব্য