kalerkantho


রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনা

হেফাজতিদের ব্যাপারে কঠোর হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



হেফাজতিদের দাবির কাছে আত্মসমর্পণ নয়, বরং তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে—জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

গতকাল সোমবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় আরো বলা হয়, হেফাজতিরা হাইকোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরানোর আবদার জানাচ্ছে। এরপর সারা দেশ থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানাবে তারা।

প্রথমে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা চলে। এতে অংশ নেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আওয়ামী লীগের সদস্য মো. দবিরুল ইসলাম, মো. মকবুল হোসেন ও শেখ আফিল উদ্দিন, জাসদের বেগম লুৎফা তাহের, জাতীয় পার্টির জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

রাশেদ খান মেনন বলেন, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের উত্থান বিএনপির আমলে ঘটেছে। হলি আর্টিজান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা ঘটানো হয় বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগতভাবে এই জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করতে হবে।

মেনন বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তারা বলছে, কিয়ামত পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নাকি তারা নির্বাচন করবে না। নির্বাচনে না এলে দলটির নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে, অস্তিত্ব সংকটে পড়বে তারা।

সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, হেফাজতিদের সঙ্গে আপস করলে তারা শুধু সুপ্রিম কোর্টের ভাস্কর্যই নয়, অপরাজেয় বাংলা, রাজু ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধের সব স্মৃতিচিহ্ন ভেঙে ফেলার দাবিও জানাবে। যতই আপস করা হোক, মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া হোক, হেফাজতিরা কখনো ভোটের ময়দানে সরকারের পাশে দাঁড়াবে না। তাদের ব্যাপারে সরকারকে কঠোর হতে হবে।


মন্তব্য