kalerkantho


আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হলো বেবি অলিম্পিয়াড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



একটা রেসে তীব্র প্রতিযোগিতা। গ্যালারি ভরা উত্তেজনা, কে হবে প্রথম। কিন্তু একি! প্রতিযোগীরা মাঠের মধ্যে গিয়ে খেলাধুলা শুরু করে দিল। দর্শকদের ডাকাডাকি, চিত্কার-চেঁচামেচিতেও কোনো কাজ হচ্ছে না। নিজেদের মতো করে মাঠের মাঝখানে বসে খেলছে তারা। আসলে তারা সবাই ছোট্ট ছোট্ট শিশু। সবে হামাগুড়ি দিতে শুরু করেছে। তারাই এখানকার প্রতিযোগী। টার্গেট লাইন ছুঁয়ে পুরস্কার জেতার মতো কোনো বুদ্ধিই তাদের নেই। তাদের অংশগ্রহণেই হলো সবচেয়ে আনন্দঘন হামাগুড়ি প্রতিযোগিতা। অবশেষে অনেক কষ্টে ৪ রাউন্ড খেলা শেষে পাওয়া গেল বিজয়ীদের।

এ রকমই এক উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘সুপারমম বেবি অলিম্পিয়াড ২০১৭’। গতকাল শুক্রবার মিরপুরের ইনডোর স্টেডিয়ামে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এখানকার সব প্রতিযোগীই এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী।

গতকাল সকাল থেকেই শত শত অভিভাবক তাঁদের কোমলমতি শিশুদের নিয়ে উপস্থিত হন। এই অলিম্পিয়াডে ছিল ক্রলিং, ওয়াকার রেসিং, ট্রাই সাইক্লিং এবং ফুটবলের মতো দারুণ সব প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া নাচ, গান, মোটু-পাতলু, সিসিমপুরের হালুম, টুকটুকি, ইকরিমিকরির মতো বাচ্চাদের কার্টুন। সন্ধ্যায় প্রতিটি ইভেন্টের তিনজন করে বিজয়ী শিশুদের হাতে মেডেল ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। প্রথম বিজয়ীদের দেওয়া হয়েছে গোল্ড মেডেল।

অনুষ্ঠিত সব ইভেন্টের মধ্যে সবচেয়ে উত্তেজনা ছিল হামাগুড়ি প্রতিযোগিতায়। এরপর ট্রাইসাইকেল রেস। হামাগুড়ি প্রতিযোগিতার প্রত্যেক প্রতিযোগী ছিল যারা এখনো হাঁটতে শেখেনি তাদের নিয়ে। যাদের মধ্য থেকে বিজয়ী খুঁজে বের করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছিল।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো এ প্রতিযোগিতা। স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড বহুদিন ধরে দেশের শিশু ও মায়েদের কল্যাণে কাজ করে আসছে। স্কয়ার কেয়ার জোনের বিশেষ টেল ফ্রি নম্বরের (০৮৮০০০৮৮৮০০০) মাধ্যমে তারা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য  পরামর্শ দিয়ে আসছে ছয় বছর ধরে।


মন্তব্য