kalerkantho


কুলকাঠি ‘ভিক্ষুক ও যৌতুকমুক্ত’

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নকে ভিক্ষুক, বাল্যবিয়ে ও যৌতুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ঘোষণা দেন।

ঘোষণা দেওয়ার আগে ইউনিয়নের ১৮ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে দেওয়া হয়েছে এক লাখ টাকা করে অনুদান। পর্যায়ক্রমে অন্য ভিক্ষুকদেরও এই অনুদান দেওয়া হবে বলে অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেওয়া হয়। কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার  (কোডেক) যৌথভাবে জরিপের মাধ্যমে ভিক্ষুকদের শনাক্ত করে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, আজ ঐতিহাসিক একটি দিন। দেশে এই প্রথম একটি ইউনিয়ন ভিক্ষুক, বাল্যবিয়ে ও যৌতুকমুক্ত ঘোষণা করা হলো। এটা কুলকাঠি ইউনিয়নবাসীর জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইউনুস লস্কর, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মল্লিক, ঝালকাঠির একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের উপপরিচালক শ্যামা প্রসাদ ও ভিক্ষার পথ থেকে ফিরে আসা যুবক মোছাব্বর মাঝি বক্তব্য দেন।

শিল্পমন্ত্রী এর আগে কুলকাঠি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের।

এদিকে কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বন্দুকের নলের জোরে ক্ষমতায় এসেছিলেন। তাঁদের বাড়ি উত্তরবঙ্গে হলেও রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় সেখানকার মঙ্গা তাঁরা ঠেকাতে পারেননি। বছরে দুইবার সেখানে মঙ্গা হতো। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরেই উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।


মন্তব্য