kalerkantho


সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বিক্রির দায়ে ৩৭ প্রতিষ্ঠান সিলগালা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে গত এক বছর ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই হাজার ১৬৯টি মামলা দায়ের করেছেন। আদায় করা হয়েছে ছয় কোটি ৬৬ হাজার ২৭ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা।

৫৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড আর ৩৭টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ তথ্য জানান। সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রির দায়ে ড্রাগ কোর্টে ৪১টি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে ৬৪টি মামলা হয়। এ সময় ১৭ কোটি টাকার ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি গাইডলাইন অনুসরণ না করায় এবং ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদনের দায়ে এ পর্যন্ত ৮৬টি ওষুধ কম্পানির লাইসেন্স সাময়িক বাতিল এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। মানহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মডেল ফার্মেসি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

জাতীয় পার্টির সদস্য এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বর্তমানে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবার অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম এরপর চতুর্থ সেক্টর প্রগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম জানান, সম্প্রতি ৯ হাজার ৫৯৮ জন নার্স নিয়োগ করে বিভিন্ন জেলায় পোস্টিং দেওয়া হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকার চিকিৎসক সংকট নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করছে। ২০১৪ সালে একসঙ্গে ছয় হাজার ৩২৩ জন বিসিএস চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপর ৩৪তম বিসিএসে আরো ২২০ জন চিকিৎসক নিয়োগ পেয়েছেন।


মন্তব্য