kalerkantho


বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা নির্যাতন করেছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একজন রোগীর স্বজনের ওপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অমানবিক নির্যাতন ও মারধরের প্রমাণ পেয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি। এর ভিত্তিতে দায়ী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। গতকাল ওই অনুষ্ঠান চলাকালে মন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেদনের সবটাই এই মুহূর্তে বলতে চাই না। এটা আরো পর্যালোচনা করে দেখা হবে। তবে এক কথায় এটুকু বলা যায়, বগুড়ায় একজন রোগীর স্বজনের ওপর ইন্টার্ন ডাক্তারদের অমানবিক আচরণের প্রমাণ পেয়েছে এই তদন্ত কমিটি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা-সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ করা হয়ে থাকে। একই পরীক্ষা কোনো প্রতিষ্ঠানে নেয় এক শ টাকা আবার কোনোটায় নেওয়া হয় তিন-চার গুণ বেশি। এতটা পার্থক্য কেন থাকবে তা বোধগম্য নয়।

চিকিৎসার নামে ব্যবসায়িক এ মনোভাব দূর করতে হবে। আমরা শিগগিরই প্রাইভেট সেক্টরের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠক করব। এ ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা হবে। একইভাবে চিকিৎসকদের ফি নিয়ে যে অবস্থাপনা চলছে—তা নিয়ে নীতিমালার চিন্তাভাবনা আছে।

মন্ত্রী প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে লেখাপড়া ও চিকিৎসকদের মান নিয়ে প্রশ্নের মুখে বলেন, নিম্নমানের ও অনিয়মের মাধ্যমে যেসব প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়েছে তাদের কয়েকটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, বাকিগুলোর বিষয়েও কাজ চলছে।

গ্রামে চিকিৎসক না থাকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি সত্যিই দুঃখজনক। নিয়োগ পাওয়ার পরপরই প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায় গ্রাম ছেড়ে শহরে ছুটে আসার জন্য। গ্রাম খালি হয়ে পড়ে। অবস্থা কিভাবে কাটানো যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

 


মন্তব্য