kalerkantho


তোয়াব খানকে আজীবন সম্মাননা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



তোয়াব খানকে আজীবন সম্মাননা

এ বি এম মূসার ৮৬তম জন্মদিনে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রথিতযশা সাংবাদিক তোয়াব খানকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

বিশিষ্ট সাংবাদিক এ বি এম মূসার ৮৬তম জন্মদিনে আজীবন সম্মাননা পেলেন আরেক প্রথিতযশা সাংবাদিক তোয়াব খান। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে তোয়াব খানকে এই সম্মাননা দেয় এ বি এম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন। তোয়াব খানকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন কলামিস্ট ও লেখক আবুল মকসুদ এবং ক্রেস্ট প্রদান করেন এ বি এম মূসার সহধর্মিণী সেতারা মূসা।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তোয়াব খান বলেন, ‘অগ্রজ সাংবাদিক এ বি এম মূসা সাংবাদিকতার বিকাশ ও উত্কর্ষ সাধনে যে উচ্চতর ধারা সৃষ্টি করে গেছেন সেই পথ অনুসরণ করেই আমার নিরন্তন অভিযাত্রা। সাংবাদিকতার উন্নততর বিকাশের ধারায় নানা পর্যায় লক্ষ করা যায়। সাতচল্লিশে উপমহাদেশ ভাগ হওয়ার পর পর্যায়ক্রমগুলো স্পষ্ট হতে থাকে। স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের যুগে এই বাংলায় সাংবাদিকতার ত্রিরত্ন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, জহুর হোসেন চৌধুরী ও আব্দুস সালামের অভ্যুদয়। পরবর্তী সময়ে আধুনিক সাংবাদিকতার প্রবর্তনে শহীদ সিরাজুদ্দীন হোসেন, এ বি এম মূসা প্রমুখ একটি সুস্পষ্ট ধারার সৃষ্টি করেন। বৈরী পরিবেশে শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সত্য উপস্থাপনই এই ধারার প্রধান প্রতিপাদ্য ছিল। ’

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমীন এ বি এম মূসার স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘মূসা ভাই যখন জীবিত ছিলেন তখন প্রেস ক্লাবে আমরা তাঁর জন্মদিন পালন করতাম। আজ সে কথাই মনে পড়ছে।

তিনি সিনিয়র-জুনিয়র সকলের সঙ্গেই আড্ডা দিতেন। আমরা তাঁর সঙ্গে আলাপ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতাম। কেউ তাঁর কাছে সহায়তা চাইলে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করতেন। আমরা মূসা ভাইকে হারিয়ে সাংবাদিকদের একজন অভিভাবককে হারিয়েছি। ’

সভাপতির বক্তব্যে আবুল মকসুদ বলেন, ‘এ বি এম মূসা বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন যা দেখবে, তা লিখবে। যদিও তিনি শেষ সময়ে ক্ষমতাসীনদের বিরাগভাজন হয়েছেন। ’


মন্তব্য