kalerkantho


কসোভোকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কসোভোকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায়

ইউরোপের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি কসোভোকে জানিয়ে দেওয়া হবে। মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ হবে কসোভোকে স্বীকৃতি দানকারী ১১৪তম দেশ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ছাড়াও ওআইসির ৫৭টি সদস্য দেশের মধ্যে ৩৬টি এর আগেই রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। কসোভো সার্বিয়ার একটি প্রদেশ ছিল। ১৯৯৯ সাল থেকে দেশটি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে থাকে। ২০০৮ সালে দেশটি স্বাধীনতা ঘোষণা করে। গতকালের মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘সামুদ্রিক মত্স্য আইন, ২০১৭’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে কয়েকটি ধারায় শাস্তি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, সরকার উপকূলীয় অঞ্চল বা নদীর মোহনাসংলগ্ন এলাকাকে চিহ্নিত করে মেরিনকালচার জোন প্রতিষ্ঠা এবং অনুমোদিত পদ্ধতিতে মত্স্যসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী চাষে অনুমতি দিতে পারবে।

আইনে কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাধা দেওয়ার শাস্তি তিন বছরের জেল বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। একই শাস্তি হবে ইচ্ছাকৃতভাবে মত্স্য আহরণের নৌযানের ক্ষতি, নৌযান আটক বা চিহ্নিতকরণের প্রমাণ ধ্বংস এবং লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করলে। নৌযানে আরোহণ করা ব্যক্তিদের সংঘটিত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট নৌযানের অধিনায়ক বা ক্যাপ্টেন দায়ী থাকবেন। এ অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।   বৈঠকে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৭’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৯ সাল থেকে পরিচালিত সাভারের শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্রটিকেই ইনস্টিটিউটে রূপ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বৈঠকে ‘জাতীয় যুবনীতি, ২০১৭’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়। এতে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির বিধান রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভুটান এবং বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য দ্বৈত কর পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধসংক্রান্ত চুক্তির খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য