kalerkantho


সার্ক মহাসচিব নিয়ে জটিলতা কেটেছে

পাকিস্তানের মনোনয়নে ভারতের সায়

মেহেদী হাসান   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) নতুন মহাসচিব নিয়োগ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা অবশেষে দূর হয়েছে। পাকিস্তানের কূটনীতিক আমজাদ হোসেন সিয়াল আগামী বুধবার সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, নতুন মহাসচিব নিয়ে ভারত সম্মতি দেওয়ায় জটিলতা কেটে গেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় ভারত এ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।

সার্কের বিদায়ী মহাসচিব হিসেবে নেপালি কূটনীতিক অর্জুন বাহাদুর থাপার মেয়াদ আগামীকাল মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। সার্কের রীতি অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী নেপালের পর পাকিস্তানেরই সার্ক মহাসচিব হিসেবে তাঁর দেশের কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা। পাকিস্তান সে দেশের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আমজাদ হোসেন সিয়ালকে মনোনয়ন দেওয়ার পর সদস্য দেশগুলো গত বছরের মার্চ মাসে এ ব্যাপারে নীতিগত সম্মতি জানিয়েছিল। তবে বিষয়টি সার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েনের মধ্যে ভারত গত জানুয়ারিতে নেপালে সার্ক সচিবালয়কে পাঠানো কূটনৈতিক বার্তায় সার্কের নতুন মহাসচিব নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার আহ্বান জানায়। তাতে বলা হয়, সার্ক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া সার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অনুমোদিত হতে হবে।

সূত্র জানায়, ভারত আপত্তি তোলায় দীর্ঘ মেয়াদে সার্ক মহাসচিবের পদটি শূন্য থাকার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছিল।

কারণ যথাযথ প্রক্রিয়ায় ওই নিয়োগ সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হতে হবে। আর বৈঠকটি হওয়ার কথা পাকিস্তানে।

ভারত শেষ পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ছাড়াই নতুন মহাসচিব নিয়োগের ব্যাপারে সায় দেওয়ায় সৃষ্ট জটিলতার আপাতত অবসান হয়েছে। সার্কের পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন কবে হবে—জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট এক কূটনীতিক কালের কণ্ঠকে বলেন, সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের চেয়ে মহাসচিব পদে নিয়োগ নিশ্চিত করাটাই আগে জরুরি ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটি করা গেছে।


মন্তব্য