kalerkantho


আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা

খাত চিহ্নিত ও বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনায় কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



খাত চিহ্নিত ও বাস্তবায়নে

দিকনির্দেশনায় কমিটি

আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে এসংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্পর্কে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সম্পাদনের জন্য বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সভাপতি করে ওই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুনর্গঠিত ওই কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে আছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন বাণিজ্যমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, পানিসম্পদমন্ত্রী, নৌপরিবহনমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রেলপথমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন খাত চিহ্নিত করা, সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করাই হবে এ কমিটির কাজ। কমিটির সাচিবিক ও নির্বাহী দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা সেলের ওপর ন্যস্ত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাধারণ বা নৈমিত্তিক পত্রালাপসহ কূটনৈতিক বিষয়ক কাজগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং সহায়তা বা প্রকল্পবিষয়ক কাজগুলো অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য ‘কো-অপ্ট’ করতে পারবে এবং উপকমিটি গঠন করতে পারবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে এ অঞ্চলের মধ্যে কানেক্টিভিটিসহ যৌথ উদ্যোগগুলোতে বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কানেক্টিভিটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যোগাযোগ জোরদারে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করে।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল (বিবিআইএন) চার দেশীয় মোটর চলাচল ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে। এ ছাড়া চীন প্রস্তাবিত বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারকে নিয়ে চার দেশীয় অর্থনৈতিক করিডর প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও ঢাকা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এ অঞ্চলের মানুষের মঙ্গলের জন্য সার্ক, বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক সংগঠনগুলোতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশ।

 


মন্তব্য