kalerkantho


বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাতে রোগীর স্বজন লাঞ্ছনার তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা রোগীর স্বজনদের মারপিট করে ১০০ বার কান ধরে উঠবোস করানোর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি শজিমেকে গিয়ে তদন্ত কাজ শুরু করে।

তদন্তদল সড়ক পথে ঢাকা থেকে বগুড়ায় যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে শজিমেক হাসপাতালে সেদিনের (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঘটনা সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য শোনে। রোগী আলাউদ্দিনের ছেলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত আব্দুর রউফ ও তাঁর দুই বোন তদন্তদলের কাছে সে দিনের ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ ছাড়া ঘটনার সময় উপস্থিত রোগীর নিকটাত্মীয় আরো দুই ব্যক্তিরও সাক্ষ্য নেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এরপর তদন্ত কমিটি দুপুরে শজিমেকে পৌঁছে প্রথমে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শোনে। পরে পর্যায়ক্রমে হাসপাতালে পরিচালক, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং সিনিয়র চিকিৎসক, মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ, বিএমএ নেতা, পুলিশ কর্মকর্তা ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কাছে থেকে পৃথকভাবে পুরো ঘটনা শোনে এবং সাক্ষ্য নেয়। এ ছাড়া যে স্থানে ঘটনা ঘটেছিল সেখানের এবং আশপাশের রোগীদের কাছে থেকেও বিস্তারিত তথ্য নেয় তারা।

তদন্ত কমিটির প্রধান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার পৃথক বক্তব্য শুনেছি। সাক্ষ্যগ্রহণ করেছি। এমনকি সাংবাদিকদের কাছ থেকেও বিস্তারিত জেনেছি।

আমরা তদন্ত শেষ করে দ্রুত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেব। তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে পর্যালোচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ’

তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালকের কার্যালয়ের মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড এইচএমপিসির পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম এ রাশেদ।

 


মন্তব্য