kalerkantho


ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

কানাডার আদালতের রায়ের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কানাডার আদালতের রায়ের

সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নেই

‘ভুতের মুখে রাম নাম’—তথ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে এমন মন্তব্য করে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি বার বার বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যা দিতে চান। অপপ্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চান। তিনি বলেন, বিএনপিকে সন্ত্রাসী বলে কানাডার আদালত যে রায় দিয়েছে, এর সঙ্গে বিএনপির কোন সম্পর্ক নেই।

গতকাল শুক্রবার বিকালে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের আশ্রমপাড়ার সালাম কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এই সব কথা বলেন। এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান তৈমুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিনসহ জেলা বিএনপি’র অন্যান্য নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, কানাডার সরকার কখনোই বিএনপিকে সন্ত্রসী দল মনে করেন না। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে এতো দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে বলেই এসব কর্মকান্ড করছে। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে ছত্রিশটি মামলা দেওয়া হয়েছে তা উদ্দেশ্যমূলক। বেগম জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে দুরে সরিয়ে রাখতে তার মামলায় তাকে সপ্তাহে দুইবার হাজিরা দিতে হয়।

ফেসবুকে প্রকাশিত মির্জা ফখরুলের বিবৃতি ভুয়া

মির্জা ফখরুল গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, কে বা কারা তার সই জাল করে কানাডার আদালতের রায় নিয়ে একটি ভুয়া বিবৃতি ফেসবুকে ছড়িয়েছে। তিনি এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ফখাংল বলেন, কে বা কারা আমার নামে কানাডার আদালত কর্তৃক রায় সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার স্বাক্ষর জাল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ফেসবুক’-এ ভুয়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বিবৃতি পোস্ট করেছে। আমার ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করার জন্যই কোন চক্র এ ধরণের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে। বিবৃতিটিতে আমার যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণরম্নপে অসত্য ও মিথ্যাচার। ’

বিডিআর বিদ্রোহে রথী-মহারথী জড়িত : হাফিজ

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে অনেক রথী-মহারথী জড়িত। প্রত্যেকটি বিদ্রোহের ঘটনা সফলভাবে দমন করা গেলেও বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা দমন করা যায়নি। কারণ, পরিকল্পনাকারীরা আগেই আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করে আসে। বিডিআর ট্রাজেডি স্মরণে অনেক আগে থেকেই ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ আত্মীয়-স্বজনের বাইরে অন্য কোনো কিছুতে জাতীয় শোক পালনে রাজি নয়।

গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর তোপখানায় শিশুকল্যাণ মিলনায়তনে বিডিআর ট্রাজেটির অষ্টম বার্ষিকী স্মরণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ড: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব’-শীর্ষক আলোচনা সভায় মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন এই সব কথা বলেন। ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি’র সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।


মন্তব্য