kalerkantho


ঢাকার বাজারে গোমাংস ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা কেজি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণার পর গত সোমবার বাজারে হঠাৎ করে এক লাফে গরুর মাংসের দাম বেড়ে হয়েছে ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা কেজি। গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও ও ফকিরাপুল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ৫০০ থেকে ৫৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। কোথাও কোথাও আবার সময়-সুযোগ বুঝে ৫২০ থেকে ৫৩০ টাকায়ও বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে দাম বেশি হওয়ায় ঢাকার বড় বড় বাজারগুলোতে মাংসের কিছু দোকান খুললেও সব দোকান এখনো খোলেনি। কয়েকটি দোকান মিলে এক-দুটি গরু জবাই করে ব্যবসা করছে।

কারওয়ান বাজারের ‘জনপ্রিয় মাংসবিতান’-এর কর্মচারী রফিক মিয়া কালের কণ্ঠকে জানান, ধর্মঘট স্থগিতের পর গত সোমবার থেকে মাংস বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা মাংস নিতে চায় না। যে ক্রেতা আগে পাঁচ থেকে দশ কেজি করে নিতেন, তিনি এখন নেন দুই থেকে পাঁচ কেজি।

খিলগাঁও বাজারে সিয়াম গোস্তবিতানের নুরু মিয়া  বলেন, গরুর মাংস এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ধর্মঘটের আগে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০  কেজি মাংস বিক্রি করতাম। এখন সাত দোকান মিলে বিক্রি করছি ৭০-৮০ কেজি।

মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, মাংসের বাজারে নৈরাজ্য তৈরি হয়েছে। দাম কমার কোনো আলামত নেই। ইজারাদার এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে শবেবরাত ও রোজার আগে দাম বাড়নোর পরিকল্পনা করছে। তিনি এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও হাট ইজারাদারদের দৌরাত্ম্য থামাতে এখনই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি দাবি জানান।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, মাংস নিয়ে নৈরাজ্য ঠেকাতে ভারত থেকে গরু আমদানির অনুমতিই শুধু নয়, দেশে খামারিদের গরু উৎপাদনে সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। এ ছাড়া চাঁদাবাজি, হাট ইজারাদারদের হাসিলের নামে প্রতারণা থামাতে হবে।


মন্তব্য