kalerkantho


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

দরপত্রকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৭টি নৌঘাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে সিটি করপোরেশন ভবনে ও করপোরেশনের সামনে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজন পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম, অশোক দেব ও অভিপাল। তাঁদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। অন্য দুজন পথচারী।

সিটি করপোরেশনের ভেতরে ভাঙচুর এবং নগর ভবনের সামনে সংঘর্ষের সময় নগরের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন নগর ভবনে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি অক্ষত আছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন ও ছাত্রলীগ নেতা এ এম মহিউদ্দিনের অনুসারীরা নগরের ঘাট ইজারা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। তাঁরা দুজনই মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

নৌঘাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষই বিকেল ৩টায় হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। তখন নগর ভবনে ভাঙচুর চালায়। দুই পক্ষের হাতাহাতির পর থেকে নগর ভবনের পরিস্থিতি থমথমে ছিল। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় দুই পক্ষই নগর ভবনের সামনে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেখানেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

নগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, সিটি করপোরেশনের সামনে দুটি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খরব পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছি। এখানে এসে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। তারা পালিয়েছে। এখন নগর ভবনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কাউকে আটক করা যায়নি এবং আহতের বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নিচ্ছে। ’

তবে টেন্ডার নিয়ে সংঘাতের কথা অস্বীকার করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। তিনি রাত ৮টায় তাঁর কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দরপত্র নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল।


মন্তব্য