kalerkantho


ঋতুবদলের সময় খেতে হয়

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আনারস : আনারসে রয়েছে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা প্রতিরোধের উপাদান। আনারসের একটি উপাদানের নাম ব্রোমেলেইন।

এটি কাশি দূর করার ওষুধেও ব্যবহৃত হয়। আনারসের এ উপাদানটি ফুসফুসের সুস্থতার জন্যও কাজ করে। ঋতু পরিবর্তনের সময় আনারস বেশি খেলে নানা অসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়।

আদা মধু : আয়ুর্বেদিক চিকিত্সায় আদা নানা রোগের উপশমে ব্যবহৃত হয়। এটি ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হওয়া উপশম করে। এ ছাড়া মধুরও আছে দারুণ সব উপকারিতা। আর আদার উপকারিতা পূর্ণ করার জন্য সঙ্গে মধু ব্যবহার করতে পারেন। হালকা গরম পানিতে মধু ও আদা মিশিয়ে নিয়মিত সেবন করলে উপকার পাবেন।

গ্রিন টি : এই চা দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

ঋতু পরিবর্তনের সময় নিয়মিত গ্রিন টি সেবনে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে এবং নানা ধরনের রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে।

রসুন : রসুনের নানা উপকারিতা আছে। বিশেষত দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এটি কার্যকর। এটি দেহের তাপমাত্রা ও শক্তি বাড়ায়। বয়স্ক ও শিশুদের জন্যও এটি কার্যকর। তবে দুধের শিশুদের না দেওয়াই ভালো।

ইউক্যালিপটাস তেল : শ্বাসকষ্ট ও এ ধরনের ক্রনিক রোগের চিকিত্সায় ইউক্যালিপটাসের তেল ব্যবহৃত হয়। এটি সব বয়সের মানুষের জন্যই উপযোগী। আর ঋতু পরিবর্তনের সময় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

তাজা খাবার : শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়াজাত খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ও স্বাদ বাড়াতে নানা ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। আর এসব উপদান আমাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই এ ধরনের খাবার এড়িয়ে তাজা শাকসবজি, ফলমূল ও অন্যান্য খাবার খেতে হবে।

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য