kalerkantho


খুলনার ৩৭ স্কুলে শিক্ষক সংকট

কৌশিক দে, খুলনা   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



শিক্ষক সংকটে খুলনা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিভাগের ৩৭টি বিদ্যালয়ে এক হাজার ২৩৯টি শিক্ষক পদের মধ্যে শূন্য আছে ২২৫টি পদ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষক সংকট মেহেরপুরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ বিদ্যালয়ে ৫০টি শিক্ষক পদের মধ্যে শূন্য রয়েছে ২৭টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয় বলছে, শিক্ষক সংকটের বিষয়টি ইতিমধ্যে মহাপরিচালককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের ১০টি জেলায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে ৩৭টি। খুলনা নগরীর বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট না থাকলেও বিভিন্ন জেলায় এক হাজার ২৩৯টি শিক্ষক পদের বিপরীতে ২২৫টির বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৫০ পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ২৭টি, মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৯ পদের মধ্যে ২৩টি, চুয়াডাঙ্গা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৪৯টি পদের মধ্যে ২০টি, নড়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৩টি, চুয়াডাঙ্গা ভিজে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৯ পদের মধ্যে ১৯টি শূন্য আছে। নড়াইল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও মাগুরা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শূন্য রয়েছে ১৮টি করে শিক্ষক পদ। বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৫০ পদের মধ্যে ১৬টি, মাগুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ পদের মধ্যে ১২টি শূন্য আছে।

খুলনার পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪টির মধ্যে ছয়টি, পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ১২টি পদের মধ্যে তিনটি, চালনা বাজার সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ১০টির মধ্যে তিনটি, ফুলতলা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ৯ পদের মধ্যে একটি শূন্য রয়েছে।

সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৯ শিক্ষক পদের মধ্যে পাঁচ, জেলার তালা বি দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪ পদের মধ্যে দুই, শহীদ আলী আহম্মদ সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ১৫ পদের মধ্যে তিনটি শূন্য রয়েছে।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ পদের মধ্যে শিক্ষক নেই ৯টি পদে। জেলার ফকিরহাটের মূলঘর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ পদের মধ্যে দুই, মোরেলগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ১৬ পদের মধ্যে সাতটি শূন্য আছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনার আঞ্চলিক উপপরিচালক টি এম জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া স্বাভাবিক। আমরা বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলের সঙ্গে কথা বলেছি। ’


মন্তব্য