kalerkantho


মোবাইল ফোন সেবা

ফোরজি লাইসেন্স আগামী মাসেই

বিশেষ প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মোবাইল ফোন সেবায় বহুল আলোচিত চতুর্থ প্রজন্মের ফোরজির লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে আগামী মাসেই। এসংক্রান্ত নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্ত করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এই নীতিমালায় লাইসেন্স ফি চূড়ান্ত হবে। আর লাইসেন্স পাওয়ার পর মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের  টুজি ও থ্রিজি সেবায় ব্যবহূত স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ দিয়েই ফোরজি সেবা চালু করতে পারবে। পরে চার মাসের মধ্যে এ সেবার জন্য স্পেকট্রাম নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে গতকাল রবিবার বিটিআরসির চেয়ারম্যান কালের কণ্ঠকে বলেন, আগামী দু-তিন সপ্তাহের মধ্যে এই লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে। এ লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা দ্রুত প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ফোরজি সেবা চালু করার জন্য তরঙ্গের প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা বা টেক-নিউট্রালিটি সুবিধা দেওয়া হবে। এর জন্য অপারেটরগুলোকে দ্রুত প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে থ্রিজি সেবায় ২১০০ ব্যান্ডের এবং টুজি সেবায় ৯০০ ও ১৮০০ ব্যান্ডের তরঙ্গ ব্যবহার হচ্ছে।

  সরকার ও বিটিআরসির পরিকল্পনা ছিল ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের তরঙ্গ নির্ধারণ করে দিয়ে ফোরজি (চতুর্থ প্রজন্ম) এবং এলটিই (লং টার্ম এভল্যুশন) মেবাইল ফোন সেবার লাইসেন্স দেওয়ার। কিন্তু ২০১৩ সালের থ্রিজি লাইসেন্সের ওই নীতিমালায় একটি দফায় বলা হয়েছে, থ্রিজি মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের জন্য বরাদ্দ তরঙ্গ (২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের) ফোরজি এবং এলটিই সেবায় ব্যবহার করতে পারবে।

মোবাইল অপারেটর রবি এ বিষয়ে গত বছর ৩ মার্চ ‘রিকোয়েস্ট ফর ক্লারিফিকেশন  ফোরজি-এলটিই সার্ভিসেস আন্ডার থ্রিজি লাইসেন্সেস’ শিরোনামে বিটিআরসিকে একটি চিঠি দেয়। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসি জানিয়ে দেয়, ২১০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের তরঙ্গেও ফোরজি-এলটিই সেবা দেওয়া যাবে। তবে এ জন্য অনুমতি নিতে হবে। এরপর টুজি সেবার জন্য বরাদ্দ ৯০০ ও ১৮০০ ব্যান্ডের তরঙ্গও প্রযুক্তি নিরপেক্ষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরো উন্নত মোবাইল ফোন সেবার জন্য ফোরজি এবং এলটিইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ৭০০ মেগাহার্জ ব্যান্ডের স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ নিলামের প্রস্তুতিমূলক কাজ গত বছর থেকেই চালিয়ে আসছে বিটিআরসি। এর আগে এ তরঙ্গের মূল্য ও প্রয়োজনীয়তা না বুঝে যাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তাদের কাছ থেকে তা ফেরত নেওয়ার কাজ শুরু হয়।


মন্তব্য