kalerkantho


তিন গুণীকে দেওয়া হলো জ্ঞানালোক পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



তিন গুণীকে দেওয়া হলো

জ্ঞানালোক পুরস্কার

অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন প্রবর্তিত ‘জ্ঞানালোক’ পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হলো দেশের তিন গুণী ব্যক্তিত্বর হাতে। কথাশিল্পী পূরবী বসু, প্রত্নতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান যুগ্মভাবে ২০১৫ সালে এ পুরস্কার পেয়েছেন।

২০১৬ সালের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে লোকসাহিত্যের গবেষক ও সংগ্রাহক মুহম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠানকে।

গতকাল শনিবার সকালে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রত্যেককে ক্রেস্টসহ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম। বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রাজনীতিবিদ ও কবি নূহ-উল-আলম লেনিন। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।  

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বিক্রমপুর সম্পর্কে শুনেছি, সেখানে অনেক জ্ঞানি ও গুণী ব্যক্তিদের বসবাস ছিল, এখনো আছে। সেখানে হরগঙ্গা কলেজে শিক্ষকতাও করেছি।

আর বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে সমৃদ্ধ উয়ারী বটেশ্বর আমাদের গৌরব ও গর্বের বিষয়। আমি সেখানের প্রত্নতত্ত্ব খনন কার্যের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে সৌভাগ্যবান মনে করি। ’

নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, ‘আমাদের সংগঠনটি আঞ্চলিক হলেও আমাদের উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ের। এর আগে আমাদের উদ্যোগে খনন কাজের মধ্য দিয়ে সভ্যতার যে নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে তা ইতিহাসের অংশ। অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন মুন্সীগঞ্জকেন্দ্রিক সংগঠন হলেও জ্ঞানালোক পুরস্কারটি জাতীয় পর্যায়ের। ভবিষ্যতেও আমরা এ পুরস্কার প্রদানের ধারা অব্যাহত রাখব। ’

প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম জ্ঞানালোক পুরস্কার প্রদান করল অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন। এক লাখ টাকা মূল্যমানের এ পুরস্কারটি এখন থেকে প্রতি বছরই প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ছায়া কর্মকার, পান্না দত্ত ও মকবুল হোসেন।

রবীন্দ্রসরোবরে একুশের অনুষ্ঠানমালা শুরু

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ১৪ দিনব্যাপী অমর একুশের অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবর মঞ্চে। এতে দলীয় সংগীত পরিবেশন করে-বহ্নিশিখা, নন্দন। একক সংগীত পরিবেশন করেন সরদার রহমত উল্লাহ, মাহবুব রিয়াজ, তানজিলা তমা ও শিউলী আহমেদ। পথনাটক পরিবেশন করে ইউনিভার্সেল থিয়েটার, থিয়েটার আর্ট ইউনিট। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে স্রোত, শ্রুতিঘর ও স্বরব্যঞ্জন। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, ফকরুল ইসলাম তারা, সুপ্রভা সেবতি। দলীয় নৃত্য পরিবেশনায় ছিল নাটরাজ। শিশু-কিশোর পরিবেশনায় ছিল অন্তরঙ্গ শিশু-কিশোর সংগঠন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নাঈম হাসান সুজা।

‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ মর্মবাণী ধারণ করে অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছিল গত ৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। চলে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রস্তুতির কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া অনুষ্ঠানমালা রবীন্দ্রসরোবরে শুরু হয়েছে। এখানে অনুষ্ঠান চলবে একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতিদিন অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়।


মন্তব্য