kalerkantho


দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ে না?

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ে না?

দুশ্চিন্তার ধরন পাল্টান : দুশ্চিন্তার মাধ্যমে আপনি আসলে কী পান? এতে কি সমস্যা দূর হয়? কিংবা সমাধানের পথ সহজেই মেলে? নাকি পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে নিয়ে যায়? এসব প্রশ্নের জবাব কোনো এক অবসরে খোঁজার চেষ্টা করুন। অনেক কিছুই পরিষ্কার হয়ে যাবে। বুঝে যাবেন, দুশ্চিন্তায় আসলে কিছু মেলে না। তাই বলে দুশ্চিন্তাকে তো আর বাদ দিতে পারবেন না। তাই দুশ্চিন্তার ধরনটাই বদলে ফেলুন।

 

সময় দিন : ক্রনিক মাত্রার দুশ্চিন্তাগুলোর ওপর আপনার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই নিজেকে দুশ্চিন্তা বন্ধের নির্দেশ দিয়েও কোনো লাভ নেই। এর কারণ হলো, নিজের কাছে তা নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। আসলে এ সময় যা করতে নিষেধ করা হয়, তার কথাই বেশি বেশি মনে আসে। কাজেই এমন চর্চা কেবল দুশ্চিন্তা বাড়িয়েই দেবে। তাই এ সময় নিজেকে ভাববার জন্য সময় দিন।

আরাম করে বিছানায় বসে বা শুয়ে পড়ুন। চিন্তাগুলোর বাঁধন ছেড়ে দিন।

 

নিয়ন্ত্রণ : নিজেকে আবারও প্রশ্ন করুন—এ বিষয়ে কি আপনার নিয়ন্ত্রণ আছে? এই প্রশ্নটি মীমাংসা করতে হবে। মানুষ আসলে এমন অনেক জিনিস নিয়েই ভাবে, যার ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এসব নিয়ে ভাবনা অযথাই জলে যায়। কিন্তু যার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব, তা নিয়ে চিন্তা চালিয়ে যেতে পারেন।

বাস্তবিক নাকি অলীক : একটি সাদা কাগজে চারটি কলাম করুন। একেবারে বাঁয়ে লিখুন দুশ্চিন্তার ধরন। পরের কলামে লিখতে হবে এর পেছনের কারণগুলো। এগুলো বাস্তবিক কারণ নাকি আবেগ, তা পরিষ্কার করুন। বাস্তবিক হলে নেপথ্যের প্রমাণগুলো তুলে ধরুন। পরের কলামে এসব চিন্তার বিকল্প চিন্তা লিখুন। ভাবুন, আপনার নিজস্ব চিন্তাগুলো সহায়ক নাকি বিধ্বংসী। বাস্তবমুখী ও কল্পনার চিন্তার মধ্যে পার্থক্য কতটুকু? শেষ কলামে লিখে ফেলুন সম্ভাব্য সমাধানের কথা। একটা ভালো পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তো বটেই।

এবার মাঠে নামুন : কেবল দুশ্চিন্তা করে যাওয়া আর সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার মধ্যে ফারাক আছে। দুশ্চিন্তা কেবল দৈহিক ও মানসিক পেরেশানি তৈরি করে। এর মাধ্যমে এগোনো যায় না। তাই যা নিয়ে খারাপ চিন্তা আসছে, তার সমাধানে ক্রিয়াশীল হয়ে উঠুন। সমাধানের পথ মিললে সময়টা সুখকর হয়ে উঠবে।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য