kalerkantho


হাসিনা দায়মুক্তি পান কিন্তু খালেদা পান না

চন্দ্রিমা উদ্যানে গয়েশ্বর রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



এক-এগারোর পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শেখ হাসিনা আদালতের মাধ্যমে দায়মুক্তি পান; কিন্তু খালেদা জিয়া পাননি।

এ ক্ষেত্রে সরকারের একটি উদ্দেশ্য আছে। তারা বিএনপিপ্রধানকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।

অন্যদিকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যতই শক্তিশালী হোক না কেন, দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না। নোয়াখালীতে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

গতকাল জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন গয়েশ্বর রায় ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ। তাঁতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন।

শিগগির সহায়ক সরকারের প্রস্তাব : গতকাল সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘বেগম জিয়া শিগগির নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রস্তাব জাতির কাছে উপস্থাপন করবেন। সরকারকে বলব, সহায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন।

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করুন। ’

দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না : নির্বাচন কমিশন যতই শক্তিশালী হোক না কেন, দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না। এ মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

গতকাল দুপুরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মওদুদ বলেন, নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার প্রয়োজন। তাহলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।


মন্তব্য