kalerkantho


কয়লা উত্তোলনের পদ্ধতি নির্ধারণে সমীক্ষা চুক্তি সই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



দেশে কয়লা উত্তোলনের পদ্ধতি নিয়ে বিদ্যমান বিতর্ক নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কম্পানি দিয়ে সমীক্ষা করাতে যাচ্ছে সরকার। প্রতিষ্ঠানটি দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে এই সমীক্ষা চালাবে। সমীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা হবে, দেশে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব কি না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে এসংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কম্পানি ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জন টি বয়ডের মধ্যে চুক্তিটি সম্পাদন হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮ কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, জন টি বয়ডকে ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে সমীক্ষা প্রতিবেদন দিতে হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর শুধু বড়পুকুরিয়া নয়, ফুলবাড়ীতেও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা যাবে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

গতকাল চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এবং জ্বালানি বিভাগ, পেট্রোবাংলা ও বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তর ও দক্ষিণ অংশে খনির একটি বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করবে সমীক্ষা দলটি।

সমীক্ষায় খনির ওপর নির্ভরশীল মানুষ ও আর্থসামাজিক অবস্থার ওপর খনির প্রভাব মূল্যায়ন করা হবে। কয়লা উত্তোলন পদ্ধতি, খনির প্রকৃত মজুদ, বার্ষিক উৎপাদন হার, কয়লাখনির মেয়াদকাল নির্ণয়, বিস্তারিত অর্থনৈতিক মূল্যায়ন এবং প্রকল্প বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক কি না, তা-ও নির্ণয় করা হবে।  

অনুষ্ঠানে বলা হয়, সমীক্ষাটি করা হবে খনির সাড়ে চার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে। সমীক্ষায় কয়লা উত্তোলন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বিবেচিত হলে বড়পুকুরিয়ার উত্তর ও দক্ষিণ অংশ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হবে। আর তা বড়পুকুরিয়া ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটে ব্যবহার করা হবে।


মন্তব্য