kalerkantho


অর্থ আত্মসাতের মামলা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তার দুজনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার তিন কর্মকর্তার মধ্যে দুজনকে এক সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। আরেকজনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনামুল হক গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

জামিন পাওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাওহীদ জামান শিপু ও সহকারী রেজিস্ট্রার সিদ্দিকুর রহমান। তবে জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় সহকারী পরিচালক শেখ মো. মোফাজ্জল হোসেনকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার জানান, তিন আসামির জামিনের জন্য তাঁদের পক্ষে আইনজীবীরা গতকাল আদালতে আবেদন করেন। সামনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন থাকায় আদালত দুই কর্মকর্তাকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।

এ ছাড়া ওই তিন কর্মকর্তাকে আরো তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) জন্য আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক ফজলুল বারী। আদালত তা শুনানির জন্য ২৮ মার্চ তারিখ ধার্য করেন।

একটি দুর্নীতি মামলায় সোমবার ভোরে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে দুদক। পরদিন তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ পাঠানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের দায়ের করা ওই মামলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘গণনিয়োগ’ পাওয়া ১৬৯ জন কর্মচারীকে অবৈধভাবে সিলেকশন গ্রেড দিয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারের এক কোটি ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৩৯৪ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ ছাড়া ওই ১৩ জনের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. হাফিজুর রহমান ও সহকারী কলেজ পরিদর্শক এম এইচ এম এ শাহজাহান বাদী হয়ে আরো তিনটি দুর্নীতির মামলা করেন। দুদক মামলাগুলোর তদন্ত করছে।

গতকাল আদালতে বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন গাজীপুর জজ আদালতের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার ও মোজাম্মেল হক। আর আসামিপক্ষে ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ, মো. আব্দুল আজিজ মিয়া মিন্টুসহ একাধিক আইজীবী।


মন্তব্য