kalerkantho


মস্তিষ্কের ব্যায়াম আছে, জানেন?

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মস্তিষ্কের ব্যায়াম আছে, জানেন?

গঠনমূলক চিন্তা : যেকোনো সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা ভালো। এ ক্ষেত্রে বাস্তবিক বাধা-বিপত্তি মাথায় রেখে চিন্তা করার অভ্যাস দারুণ ইতিবাচক।

কিন্তু এ নিয়ে কেবল কল্পনায় গা ভাসিয়ে দেওয়া মোটেও আশা জাগানিয়া ব্যাপার নয়। তাই কিছু নিয়ে চিন্তা করার আগে এক-দুই মিনিট ভেবে নিন, আপনি কী ধরনের সমস্যায় আছেন এবং কী ধরনের সমাধানের পথ খুঁজছেন। আটকে যেতে থাকলে হাল ছাড়বেন না।

নিজের ক্ষেত্রে ভাবুন : মানুষ সাধারণত নিজের বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় পরিস্থিতি জটিল করে ফেলে। যেকোনো বিপদে কাছের বন্ধুকে যে পরামর্শ দেবেন, একই বিষয় নিজের জন্যও ভেবে দেখার চর্চা করুন। এতে নিজের বিষয়টি আরো বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। অন্যের সমস্যা আপনি ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করতে পারবেন। কিন্তু নিজের বিষয়ে ভাবতে গেলেই উত্তেজনা চড়ে বসে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিজের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর চর্চায় আত্মোপলব্ধি বাড়ে।

নিজের সম্পর্কে উন্নত ধারণার সৃষ্টি হয়।

আবেগে ভারসাম্য আনুন : অনেক মানুষই নিজের আবেগ প্রদর্শনের ব্যাপারে বিতৃষ্ণা দেখায়। ফলস্বরূপ আবেগের সঙ্গে তাদের বিস্তর ব্যবধান তৈরি হয়। এমনকি অনেক মানুষ বুঝেই উঠতে পারে না, তার আসলে কী হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে এমন অনুভূতিতে তালগোল পাকিয়ে ফেলে মানুষ। এমনকি বড়রা তাদের আবেগে নিয়ন্ত্রণ আনতে গেলেও ভুল পথে এগোতে থাকেন। তাই প্রতিদিনই কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করুন মনের ভাব বুঝতে।

যুক্তি দিয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ : বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেরেশানি ব্যাপক। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয়ে তা হতেই পারে। এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত যেন বাস্তবসম্মত হয় এবং তাতে আবেগের একচেটিয়া প্রভাব না থাকে, তার জন্য যুক্তির আশ্রয় নিন। একমাত্র যুক্তির প্রয়োগে আপনি বাস্তবে ফিরে আসতে পারেন।

কৃতজ্ঞতার প্রকাশ : শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য কৃতজ্ঞবোধের প্রকাশ দারুণ কাজের। এটা জীবনকে সুখী করে তোলে। গবেষণায় বলা হয়, যারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, তাদের জীবন ২৫ শতাংশ বেশি সুখী।

স্বাস্থ্যকর মানসিকতা : নিজের সঙ্গে যে কথা বলবেন, তার প্রভাব পড়বে নিজের ওপরই। সর্বোচ্চটুকু বের করে আনতে এ কাজটি জরুরি। মনের পেশিকে শক্তিশালী করে তুলতে নিজের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। মস্তিষ্ক পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে শেখে।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার


মন্তব্য