kalerkantho


মালিবাগে স্ত্রীর হাতে খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



রাজধানীর মালিবাগে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে ওয়াহিদুল ইসলাম স্বপন (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মৌসুমী ইসলামকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, মালিবাগে আবুজর গিফারী কলেজসংলগ্ন ১৬১ নম্বর বাসার ভেতর থেকে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওয়াহিদুল ইসলাম স্বপনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। গতকাল দুপুরে দুজনের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মৌসুমী রান্নাঘর থেকে ইট এনে সেটি দিয়ে স্বপনের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই স্বপন মারা যান। মৌসুমীকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা তিনি স্বীকার করেছেন।

নিজেদের পাঁচতলাবিশিষ্ট বাড়িটির চতুর্থ তলায় থাকতেন তাঁরা। তাঁদের একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।

প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জানান, ওয়াহিদুল ও মৌসুমী দুজনই মাদকাসক্ত ছিলেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বেশ কয়েক দিন ধরে তা প্রায় বিরতিহীনভাবে চলছিল। গতকাল সকালেও তাঁরা ঝগড়ায় লিপ্ত হন।

শাহজাহানপুর থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল মাবুদ জানান, নিহতের মাথা, কপাল ও মুখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। যতটুকু জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে ওই প্রৌঢ়কে তাঁর স্ত্রী হত্যা করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে মৌসুমী জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী বেশির ভাগ সময় নেশাগ্রস্ত থাকতেন। কোনো কাজকর্ম করতেন না।

ভাটারায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে শাহনুল করিম (২৮) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, পারিবারিক কলহের জেরে শাহনুল আত্মহত্যা করেছেন। আর পরিবারের অভিযোগ, টাকা না পেয়ে স্বামী আবদুর রহিম শাহনুলকে হত্যা করেছেন।

মৃতের চাচা সৈয়দ জুয়েল হোসেন জানান, শাহনুলের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি স্বামীর সঙ্গে ভাটারা এলাকায় থাকতেন। ছয় বছর আগে দুর্ঘটনায় শাহনুলের আগের স্বামী মারা যান। চার মাস আগে আবদুর রহিমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রহিম কোনো কাজ করতেন না। বিভিন্ন সময় টাকার জন্য শাহনুলকে চাপ দিতেন। টাকা না দিলে মারধর করতেন। টাকা না পেয়ে আবদুর রহিম শাহনুলকে হত্যা করেছেন বলে তাঁর অভিযোগ।  


মন্তব্য