kalerkantho


যশোর সদরে ৫৭ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত

ফখরে আলম, যশোর   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



যশোর সদর উপজেলায় গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সাত রাজাকারসহ ৫৭ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত হয়েছে। পরে গত রবিবার তাদের নাম সদর উপজেলা কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হয়।

প্রায় এক মাস যাচাই-বাছাই শেষে এসব ‘মুক্তিযোদ্ধাকে’ শনাক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ৪২ জনকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, যশোরে সম্মানী ভাতাপ্রাপ্ত এক হাজার ৯১ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। অনলাইনে গেজেটভুক্ত হওয়ার জন্য আরো ৭২৮ জন আবেদন করেছেন। এই আবেদনের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রাজেক আহম্মেদ ও সদস্যসচিব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ ঘোষ আরো কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে গণশুনানি করেন।

গত ২১ জানুয়ারি থেকে সদর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে এই গণশুনানি শেষে ওই ৫৭ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি নতুন আবেদন করা ৪২ জনকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত রবিবার রাতে কর্তৃপক্ষ উপজেলা কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে এই তালিকা টাঙিয়ে দেয়।

তালিকার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় থাকা সাতজন রাজাকার হলো—লাউখালী গ্রামের রহিম হাওলাদার গেজেট নং ৭৯৩, সমসপুর গ্রামের ইসলাম গাজী ৭৬৯, নিশ্চিন্তপুরের খোয়াজ উদ্দিন ৭৭০, দৌলতদিহীর আব্দুর রশিদ ৪৩৯, বারান্দিপাড়ার নাসিম আহম্মেদ ৭১৯, দৌলতদিহীর মোশারফ হোসেন ৯৬০ ও দৌলতদিহীর আজিজুর রহমান মুক্তিবার্তা নং ০৪০৫০১০৯৬৮।

তালিকায় থাকা একাত্তরের পরে জন্ম নেওয়া দুই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হলো লেবুতলা গ্রামের মনোয়ারুল ইসলাম গেজেট নং ৮০৮ ও যশোর শহরের জেল রোড এলাকার মোস্তাক আলী গেজেট নং ২১৮৪।

এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা কমান্ডার রাজেক আহম্মেদ বলেন, ‘প্রকাশ্য শুনানির মাধ্যমে আমরা যাচাই-বাছাই কাজ শেষ করেছি। তাতে আমরা কয়েকজন রাজাকারের সন্ধান পেয়েছি। তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ’


মন্তব্য