kalerkantho


রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদ সদস্যদের আলোচনা

পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



সংসদে সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তোলায় বিশ্বব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তাঁরা এ সমালোচনা করেন।

সংসদ সদস্যরা বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কৃতকর্মের জন্য বিশ্বব্যাংক যদি ক্ষমা না চায়, ষড়যন্ত্রকারী ড. ইউনূস গংদের যদি বিচার করা না হয় তাহলে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চলতেই থাকবে। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রথমে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে এই আলোচনায় অংশ নেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি, আফজাল হোসেন, শামসুল আলম দুদু, মকবুল হোসেন, মাহবুব আলী, বেগম সানজিদা খানম ও বিরোধী দল জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরী।

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। অথচ এই অগ্রযাত্রার চাকা থামিয়ে দিতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। ’ জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির আমলে সার ও বিদ্যুতের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে যারা নিহত হয়েছে, তাদের পরিবার এখনো বিচার পায়নি। ’ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি বহুল আলোচিত পদ্মা সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা সেতু’ করার দাবি জানান।

সানজিদা খানম বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস গংরা দেশের যে ক্ষতি করেছেন, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন তাঁর বিচার হতেই হবে। আর বিশ্বব্যাংকও দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তোলায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অবশ্যই তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।

’ 

সংসদে ভালোবাসা দিবসের ছাপ : গতকাল সংসদ অধিবেশনে অনেক এমপি-মন্ত্রীই লাল রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে সংসদে যোগ দিয়েছিলেন। অধিকাংশই ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তৃতা শুরু করেন। আর ডেপুটি স্পিকার ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে অধিবেশন মুলতবি করেন।


মন্তব্য